📌 শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল গঠনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে অন্য কোনো পেশার তুলনা করা উচিত নয়। একই সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগে চলমান জটিলতা দূর করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে
শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল গঠনের বিষয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে ভাবছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণে অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়। জাতি গঠনের প্রধান কারিগর হিসেবে শিক্ষকদের ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল গঠনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন
- 📌 শিক্ষকদের সঙ্গে অন্য কোনো পেশার তুলনা না করার আহ্বান
- 📌 প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক পদ শূন্য থাকায় দ্রুত নিয়োগের উদ্যোগ
- 📌 কারিগরি শিক্ষা ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির উপর জোর
📰 বিস্তারিত
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল গঠনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণে অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়। কারণ শিক্ষকেরা জাতি গঠনের প্রধান কারিগর। তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রস্তাব আসায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র পে স্কেল করা যেতে পারে, যা অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনীয় হবে না। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের পে স্কেল আলাদা হওয়া উচিত। অন্যদের সঙ্গে তুলনা করে এটা করা উচিত নয়। কম হোক, বেশি হোক—শিক্ষকদের সঙ্গে কারও তুলনা চলে না।’
শিক্ষকেরা জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরি করেন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের শুধু বেতন-ভাতা নয়, তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নিয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য তুলনা করেছিলেন, যা শিক্ষকদের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
শিক্ষক-সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক প্রয়োজন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদ শূন্য রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে এ-সংক্রান্ত মামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নিয়োগপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান এভাবে চলতে পারে না। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। শিক্ষক নিয়োগ কত দ্রুত করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করছি।’
এছাড়া কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার উপর জোর দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি শিক্ষা ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে।
‘শিক্ষকদের পে স্কেল আলাদা হওয়া উচিত। অন্যদের সঙ্গে তুলনা করে এটা করা উচিত নয়। কম হোক, বেশি হোক—শিক্ষকদের সঙ্গে কারও তুলনা চলে না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর একটি হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন (শিক্ষামন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদ (২০১৭ সাল থেকে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!