📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

'অদ্বিতীয়া' বৃত্তি থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে: ঢাকার এক সাধারণ মেয়ের রোমাঞ্চকর সফর

'অদ্বিতীয়া' বৃত্তি থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে: ঢাকার এক সাধারণ মেয়ের রোমাঞ্চকর সফর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিনথিয়া খন্দকার প্রথম আলো ট্রাস্টের 'অদ্বিতীয়া' বৃত্তি পেয়ে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পড়াশোনা শুরু করেন। ঢাকার সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণকারী তিনি আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আন্তর্জাতিক শিক্ষা লাভের স্বপ্ন পূরণ করেন এবং ফ্রান্সের মতো দেশে নিজের অবস্থান গড়ে তুলেছেন

ঢাকার সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণকারী সিনথিয়া খন্দকারের জীবনের এক অনন্য সফর শুরু হয় প্রথম আলো ট্রাস্টের 'অদ্বিতীয়া' বৃত্তি দিয়ে। এই বৃত্তি তাকে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পড়াশোনার সুযোগ দেয় এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের অবস্থান গড়ে তোলার পথ খুলে দেয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রথম আলো ট্রাস্টের 'অদ্বিতীয়া' বৃত্তি পেয়ে সিনথিয়া খন্দকার চট্টগ্রামে পড়াশোনা শুরু করেন
  • 📌 ঢাকার সাধারণ পরিবারে বেড়ে ওঠা সিনথিয়া আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আন্তর্জাতিক শিক্ষা লাভের স্বপ্ন পূরণ করেন
  • 📌 চার মাসের জন্য দেশে আসার সময়ে তিনি পরিবারকে দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার কারণে বেশি সময় দিয়েছেন
  • 📌 সিনথিয়া খন্দকারের জীবনের প্রথম বড় অর্জন ছিল 'অদ্বিতীয়া' বৃত্তি পেয়ে চট্টগ্রামে পাড়ি জমানো
  • 📌 সিনথিয়া খন্দকারের স্বপ্ন ছিল আন্তর্জাতিক পরিবেশে পড়াশোনা করা, যা তিনি বাস্তবায়ন করেছেন

📰 বিস্তারিত

সিনথিয়া খন্দকার প্রথম আলো ট্রাস্টের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। এবার দেশে প্রায় চার মাসের মতো থাকা হলো। আম্মুর দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা এবং নিজের কিছু কাজের কারণে আমি পরিবারকে বেশি সময় দিতে পেরেছি।” সিনথিয়া ঢাকায় জন্মগ্রহণ এবং বেড়ে ওঠেন। উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত তিনি ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই পড়াশোনা করেন। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই তার ভেতরে ছিল একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশে পড়াশোনা করার স্বপ্ন।

তিনি বলেন, “আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা সীমিত ছিল। বাবার একার উপার্জনে আমাকে বিদেশে পাঠানো বা দামি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে পড়ানো সম্ভব ছিল না। তাই উচ্চমাধ্যমিক পড়ার সময় থেকেই আমি বৃত্তির সুযোগ খোঁজা শুরু করি। তখন ইন্টারনেটের মতো সহজ উপায় ছিল না, তাই আমি নিয়মিত দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো এবং যুগান্তর পত্রিকাগুলো পড়তাম।”

২০১১ সালের শেষের দিকে তিনি জানতে পারেন যে প্রথম আলো ট্রাস্ট এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের নারী শিক্ষার্থীদের জন্য 'অদ্বিতীয়া' বৃত্তি প্রদান করছে। এই খবর শুনে তিনি অনুভব করেন যে তার স্বপ্ন আর অবাস্তব নয়। তিনি অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ করে আবেদন ফরম পূরণ করেন এবং কঠিন ভর্তি পরীক্ষা ও ভাইভা পাস করে এই বৃত্তি পান। সিনথিয়া বলেন, “এটি ছিল আমার জীবনের প্রথম কোনো বড় অর্জন। এই সুযোগ পেয়ে আমাকে প্রথমবারের মতো পরিবার ও ঢাকার ছায়া ছেড়ে চট্টগ্রামে পাড়ি জমাতে হয়েছিল।”

"আমি গতানুগতিক পরিবেশে পড়াশোনা করব না, বরং আন্তর্জাতিক পরিবেশে পড়াশোনা করব যেখানে বিশ্বমঞ্চের উন্মুক্ত হাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফ্রান্স
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিনথিয়া খন্দকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার মাস (দেশে থাকা সময়), ২০১১ (বৃত্তি আবেদনের বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖