📌 বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ উগ্রবাদ ও অসহিষ্ণুতা মোকাবিলায় গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গবেষণার ফল মানুষের জীবনের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানো দরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ উগ্রবাদ, অসহিষ্ণুতা ও সামাজিক বিভাজনের মতো সংকট মোকাবিলায় গবেষণাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গবেষণার মূল লক্ষ্য শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ বা গবেষকের ব্যক্তিগত প্রোফাইল উন্নত করা নয়, বরং মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণার ফল কাজে লাগানো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উগ্রবাদ ও অসহিষ্ণুতা মোকাবিলায় গবেষণার ফল মানুষের জীবনের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানোর আহ্বান দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ
- 📌 গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণার ফল কাজে লাগালে পাওয়া যায়, বলেন তিনি
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়, তাই উগ্রবাদ ও অসহিষ্ণুতার পেছনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণ অনুসন্ধান করতে হবে
- 📌 ক্যাম্পাস ও শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন ধর্ম ও বিশ্বাসের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংলাপের পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান
- 📌 মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি, সমাজের জটিল সমস্যা মোকাবিলায় সব ধরনের জ্ঞান ও গবেষণার সমন্বয় প্রয়োজন
- 📌 তরুণ গবেষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানসম্পন্ন গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন ইউজিসি প্রস্তুত, প্রকল্পের মান ও গবেষকদের সক্ষমতার ভিত্তিতে দেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘সহিংস উগ্রবাদ মোকাবিলায় মানবকেন্দ্রিক ও প্রমাণভিত্তিক নীতি’ নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। তিনি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক মানের সাময়িকীতেও গবেষণাপত্র প্রকাশিত হচ্ছে। তবে গবেষণার ফল মানুষের জীবনের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানো না গেলে তার পূর্ণ সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। তাই উগ্রবাদ ও অসহিষ্ণুতা শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, এর পেছনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণগুলোও অনুসন্ধান করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন শাখার গবেষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজন। ক্যাম্পাস ও শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন ধর্ম, বিশ্বাস ও সামাজিক পটভূমির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংলাপের পরিবেশ গড়ে তোলার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন। তার মতে, এমন চর্চা শিক্ষার্থীদের মানবিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, সমাজের জটিল সমস্যা মোকাবিলায় সব ধরনের জ্ঞান ও গবেষণার সমন্বয় প্রয়োজন। তরুণ গবেষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সমাজে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এমন মানসম্পন্ন গবেষণা প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে এলে ইউজিসি প্রস্তুত অর্থায়ন দিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বড়-ছোট বা পুরোনো-নতুন বিবেচনা করা হবে না, প্রকল্পের মান ও গবেষকদের সক্ষমতার ভিত্তিতে অর্থায়ন দেওয়া হবে।
"গবেষণার লক্ষ্য শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ নয়, মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণার ফল কাজে লাগলেই গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা মিলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ (ইউজিসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!