📌 ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি ও ফরম পূরণের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। নির্বাচনী পরীক্ষা চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্বাচনী পরীক্ষা ও ফরম পূরণের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে এসএসসি পরীক্ষার মূল ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচনী পরীক্ষা চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে
- 📌 নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ১৬ নভেম্বর থেকে এসএসসি ফরম পূরণ শুরু
- 📌 ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে
- 📌 পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ এপ্রিল ২০২৭ তারিখে
- 📌 নির্বাচনী পরীক্ষার বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশিত হয়েছে বোর্ডের ওয়েবসাইটে
📰 বিস্তারিত
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনী পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আগামী বছরের ১৬ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার মূল ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে। নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে গত ২৪ আগস্ট তারিখে পরীক্ষার সূচি প্রকাশিত হয়েছিল। নির্বাচনী পরীক্ষার বিস্তারিত নির্দেশনাবলি ও ফি সংক্রান্ত তথ্য শিক্ষা বোর্ডের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
"ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা সম্পন্ন করে ফল প্রকাশ করতে হবে। নির্বাচনী পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার মূল ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ (শিক্ষক-কর্মচারী), ২৩ হাজার (কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!