📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পরিচালিত দু’হাজার শিক্ষার্থীভর বিদ্যালয়: এসি, কম্পিউটার ও শতাধিক ফ্যান চালায় সৌরশক্তি

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পরিচালিত দু’হাজার শিক্ষার্থীভর বিদ্যালয়: এসি, কম্পিউটার ও শতাধিক ফ্যান চালায় সৌরশক্তি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জে অবস্থিত জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ উচ্চবিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে প্রায় ২০০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। বিদ্যালয়ের ১২ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেল থেকে শতাধিক ফ্যান, কম্পিউটার ও এসি চালানো হয়। বিদ্যুৎ বিলের খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জে অবস্থিত জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ উচ্চবিদ্যালয় (জেবি স্কুল) সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পরিচালিত একটি অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এই বিদ্যালয়ে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে এবং তাদের শ্রেণিকক্ষ থেকে প্রশাসনিক কক্ষ পর্যন্ত সৌরশক্তি চালিত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবহার এখানে স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১২ কিলোওয়াট সৌর প্যানেল** দিয়ে বিদ্যালয়ের শতাধিক ফ্যান, ১২০টি বাতি, কম্পিউটার ও প্রধান শিক্ষকের কক্ষে থাকা এসি চালানো হয়
  • 📌 **বিদ্যুৎ বিলের খরচ** তিন বছর আগের ৩০ হাজার টাকা থেকে কমে এসেছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকায়
  • 📌 **২০০০ শিক্ষার্থী** এবং ৬৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী সৌরবিদ্যুতের সুবিধা ভোগ করছে
  • 📌 **মাধ্যমিক পরীক্ষায়** মিরসরাই উপজেলায় এই বিদ্যালয়টি সেরা হয়েছে
  • 📌 **২৪ লাখ টাকা** খরচ করে ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ উচ্চবিদ্যালয়ের তিনটি ভবনের দুটিতে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এই প্যানেলের মাধ্যমে প্রায় ১২০টি বাতি, শতাধিক ফ্যান, কম্পিউটার এবং প্রধান শিক্ষকের কক্ষে থাকা এসি চালানো হয়। বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি বড়ুয়া জানান, তিন বছর আগে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের পর থেকে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এছাড়া বিদ্যুৎ বিলের খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

তুষার কান্তি বড়ুয়া বলেন, “তিন বছর আগে মাসে গড়ে ৩০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল দিতে হতো। এখন তা চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। সৌরবিদ্যুৎ না থাকলে বর্তমান হিসাবে মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা বিল দিতে হতো।” তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে ২৪ লাখ টাকা খরচ করে ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১২ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছিল।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক টুইংকেল বড়ুয়া বলেন, “সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের পর থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকায় গরমেও ক্লাস নিতে কষ্ট হয় না। শিক্ষার্থীরাও স্বস্তিতে পড়াশোনা করতে পারে। চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় মিরসরাই উপজেলায় এই বিদ্যালয়টি সেরা হয়েছে।”

বিদ্যালয়ের ল্যাবে আটটি কম্পিউটার রয়েছে, যেখানে একসঙ্গে অনেক শিক্ষার্থী আসলে সৌরবিদ্যুতের চাপ কমে যায়। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা রোদের আলো না থাকলে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগও ব্যবহার করা হয়। বর্ষকাল ও শীতকালে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ বেশি ব্যবহারের প্রয়োজন হয় বলে জানান শিক্ষকরা। এতে মাসে গড়ে পাঁচ হাজার টাকার মতো বিদ্যুৎ বিল খরচ হয়।

"তিন বছর আগে বিদ্যুৎ বিলের চাপ কমানোর চিন্তা থেকেই সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নিই। বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে ২৪ লাখ টাকা খরচ করে ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১২ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জোরারগঞ্জ বাজার, মিরসরাই উপজেলা, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তুষার কান্তি বড়ুয়া (প্রধান শিক্ষক), টুইংকেল বড়ুয়া (সহকারী শিক্ষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কিলোওয়াট (সৌর প্যানেল), ২০০০ (শিক্ষার্থী), ৬৮ (শিক্ষক-কর্মচারী), ২৪ লাখ টাকা (খরচ), ৪-৫ হাজার টাকা (বর্তমান বিদ্যুৎ বিল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖