📌 শেরপুর সদর উপজেলার রামেরচর উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাঁরা শিক্ষকদের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে এবং দুটি দাবি আদায় করে। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে
শেরপুর সদর উপজেলার রামেরচর উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষকদের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরে দুটি দাবিতে সম্মতি দেওয়ার পর শিক্ষকদের মুক্ত করা হয়। গতকাল সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রামেরচর উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৭৮ জন শিক্ষার্থী
- 📌 পরীক্ষায় পাস করেছেন মাত্র ২১ জন শিক্ষার্থী
- 📌 ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা শিক্ষকদের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন
- 📌 শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা দুই দাবি আদায় করেন: খাতা পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনরায় পরীক্ষার ফরম পূরণের খরচ শিক্ষকেরা বহন করবেন
- 📌 প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভাবেই ফল খারাপ হয়েছে
📰 বিস্তারিত
শেরপুর সদর উপজেলার রামেরচর উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৭৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২১ জন পাস করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সূত্র। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পাস করা শিক্ষার্থীদের কেউই স্থানীয় নয়, তাঁরা শহরের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী। প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম জানান, শিক্ষকেরা পাঠদানে কোনো গাফিলতি করেননি। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার অভাবেই ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফলাফল প্রকাশের পর ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি কক্ষে আটকে রেখে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম বিষয়টি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানান। তাঁর মাধ্যমে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষকদের উদ্ধার করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা দুই দাবিতে সম্মতি দেওয়ার পর তালা খুলে দেওয়া হয়। প্রথম দাবি ছিল ফেল করা শিক্ষার্থীদের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের খরচ শিক্ষকেরা বহন করবেন। দ্বিতীয় দাবি ছিল ২০২৭ সালে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের খরচও শিক্ষকেরা বহন করবেন।
"শিক্ষকেরা পাঠদানে কোনো গাফিলতি করেননি। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা না করায় ফল খারাপ হয়েছে। ঘটনার পেছনে শুধু পরীক্ষার ফল নয়, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বও ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমি মনে করি।"
স্থানীয় অভিভাবক ও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আবুল হোসেন অভিযোগ করেন, তাঁর বড় ছেলে বিদ্যালয় থেকে ভালো ফল করে পাস করেছে। তবে তাঁর ছোট ছেলে শিক্ষকদের অমনোযোগ ও পাঠদানে গাফিলতির কারণে ফেল করেছে বলে তিনি দাবি করেন। প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর সদর উপজেলা, রামেরচর উচ্চবিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, ২১ জন পাস করেছেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!