📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেখেরটেকের উদ্যোগে পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশ মেলা

শেখেরটেকের উদ্যোগে পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশ মেলা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেখেরটেক মোহাম্মদপুরের শিশু বিকাশ কেন্দ্র ‘খেলতে খেলতে শিখি’ আয়োজিত টিএলএম মেলায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি শিক্ষণীয় খেলনার প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও দলগত কাজের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই মেলায় অংশ নিয়েছে শতাধিক শিশু

মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অবস্থিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র ‘খেলতে খেলতে শিখি’ আয়োজিত টিএলএম (টিচিং লার্নিং ম্যাটারিয়ালস) মেলায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ দিয়ে তৈরি শিক্ষণীয় খেলনা ও ক্রীড়া সামগ্রীর প্রদর্শনী হয়েছে। ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই মেলার মূল লক্ষ্য ছিল শিশুদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও খেলাধুলার মাধ্যমে আনন্দময় শিক্ষা প্রদান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেলায় প্রদর্শিত অধিকাংশ উপকরণ তৈরি হয়েছে ফেলনা ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী দিয়ে
  • 📌 শিশুদের শারীরিক, জ্ঞানীয়, ভাষাগত ও সামাজিক-আবেগিক বিকাশে সহায়ক খেলনা প্রদর্শিত হয়েছে
  • 📌 মেলার প্রধান অতিথি ছিলেন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সামারা নুহাইয়া, যিনি শিশুদের সঙ্গে বিভিন্ন ক্রাফটিং আইটেম তৈরি করেন
  • 📌 আউটডোর পেপার পেস্টিং অ্যাকটিভিটির মাধ্যমে শিশুদের দলগত কাজ ও সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 ডিআইওয়াই কার্যক্রমে পুনর্ব্যবহারযোগ্য কার্ডবোর্ড দিয়ে তৈরি পাজলের মাধ্যমে শিশুদের ধৈর্য ও সমস্যা সমাধানের অভ্যাস গড়ে উঠেছে

📰 বিস্তারিত

শেখেরটেক মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ‘খেলতে খেলতে শিখি’ শিশু বিকাশ কেন্দ্রের আয়োজনে ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে টিএলএম মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে তৈরি শিক্ষণীয় উপকরণ প্রদর্শন এবং শিশুদের সেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে সরাসরি খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা। মেলায় অংশগ্রহণকারী শিশুরা পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খেলনা ও শিক্ষণীয় সামগ্রীর সঙ্গে পরিচিত হয় এবং সেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন কিছু শেখার সুযোগ পায়।

মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল আউটডোর পেপার পেস্টিং অ্যাকটিভিটি। এই কার্যক্রমে শিশুরা দলবদ্ধভাবে কাগজ ছেঁড়া, আঠা লাগানো ও নির্দিষ্ট স্থানে কাগজ বসানোর মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের রং, আকৃতি, ফুল, ফল ও প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা গড়ে ওঠে। একই সঙ্গে দলবদ্ধভাবে কাজ করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে শেয়ারিং ও সামাজিক দক্ষতা বিকশিত হয়।

ডিআইওয়াই কার্যক্রমে পুনর্ব্যবহারযোগ্য কার্ডবোর্ড দিয়ে তৈরি পাজলের মাধ্যমে শিশুদের নানামুখী দক্ষতা উন্নত হয়। চামচের সাহায্যে ছোট বল পরিচালনার মাধ্যমে তারা সমস্যা সমাধানের অভ্যাস গড়ে তোলে। ভুল করলে পুনরায় চেষ্টা করার মাধ্যমে তাদের ধৈর্য বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ‘কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের’ মাধ্যমে শিশুদের কল্পনাশক্তি, ভাষা বিকাশ ও সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা হয়।

"খেলতে খেলতে শিখার মাধ্যমে শিশুরা শুধু আনন্দই পায়নি, বরং নিজেদের সৃজনশীলতাকে আরও বিকশিত করেছে। এই মেলা তাদের মধ্যে নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, শেখেরটেক
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সামারা নুহাইয়া (তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ (আগস্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖