📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানো, কর্মসূচিতে লাঞ্ছিত ও কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানো, কর্মসূচিতে লাঞ্ছিত ও কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানো হয়। কর্মসূচিতে উপাচার্যকে লাঞ্ছিত করা হয় এবং তাঁর সহকারীকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে রয়েছে রাজশাহী মহানগর কৃষক দলের সভাপতি শরফুজ্জামান শামীমসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানো হয় এবং কর্মসূচিতে লাঞ্ছিত করা হয়। আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে। জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে সই করার পর উপাচার্যকে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানো হয় এবং কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়
  • 📌 কর্মসূচিতে উপাচার্যকে লাঞ্ছিত করা হয় এবং তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়
  • 📌 শরফুজ্জামান শামীমের নেতৃত্বে রাজশাহী মহানগর কৃষক দলের ২০-২৫ জন সদস্য, বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং জিয়া মঞ্চের সদস্যরা ঘটনায় জড়িত ছিলেন
  • 📌 উপাচার্য বলেন, তাঁকে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানো হয় এবং তাঁর মুঠোফোনও নিয়ে নেওয়া হয়েছিল
  • 📌 কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর জানা যায়, উপাচার্যের কম্পিউটারের সিপিইউ খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াই-ফাই সংযোগ ও বিদ্যুতের সংযোগও নষ্ট করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানো হয়। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে রয়েছে রাজশাহী মহানগর কৃষক দলের সভাপতি শরফুজ্জামান শামীমসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ। উপাচার্য জানান, তাঁকে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই করানো হয় এবং তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়।

উপাচার্য জাওয়াদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “তারা খুব আগ্রাসীভাবে আমার রুমে ঢুকে পড়ে। বলে, ‘আপনি, আওয়ামী লীগের দোসর, আপনি রাজশাহীর মানুষকে কাজ দেন না, ঢাকার মানুষ কাজ করে। আপনি এই চেয়ারে থাকবেন না।’ আমি একেবারে কিংকর্তব্যবিমূঢ়। তারা আরও বলে, ‘আপনি চেয়ার থেকে ওঠেন এবং আপনি এই মুহূর্তে বের হয়ে যান। আপনাকে এই চেয়ারে আর দেখতে চাই না।’”

উপাচার্য বলেন, “এরপর একজন সামনে একটি কাগজ এগিয়ে দেন। আমি বললাম, কী কাগজ? কাগজটা দেখার দরকার আছে। তারা বলল, ‘আপনার দেখার দরকার নাই, আপনি সই করেন।’ ওই সময় আমার পিএসও সেখানে ছিলেন। তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরিস্থিতি দেখে ভয় পেয়েছিলেন জানিয়ে উপাচার্য বলেন, কাগজে সই না করলে তাঁকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হতে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি সই না করলে আমিও ফিজিক্যালি অ্যাসল্টের সম্মুখীন হতে পারি।’”

উপাচার্য জানান, কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর জানতে পারেন, তাঁর অফিসের কম্পিউটারের সিপিইউ খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াই-ফাই সংযোগ ও বিদ্যুতের সংযোগও নষ্ট করা হয়েছে। রেজিস্ট্রার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার, সহকারী রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন দপ্তরে তালা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবকে বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান উপাচার্য।

"আপনি এখন চলে যাবেন, এখানে দাঁড়াবেন না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়, রাজশাহী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক জাওয়াদুল হক (উপাচার্য), শরফুজ্জামান শামীম (রাজশাহী মহানগর কৃষক দলের সভাপতি), আল মোস্তাক শাহীন (বিএনপি ৬ নম্বর ওয়ার্ড ইউনিটের সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৫ জন কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী, ১১ টা বেলা ঘটনার সময়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖