📌 দিনাজপুরের কাউগাঁ-হুগলীপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ব্রি সহায়তায় ধান চাষের বাস্তব শিক্ষা লাভ করে। শিক্ষকদের নেতৃত্বে তারা ৫৪টি ধান জাতের প্রদর্শনী দেখে অভিভূত হয়।
দিনাজপুরের কৃষি প্রযুক্তির বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভের জন্য স্কুলের শিক্ষার্থীরা ব্রি সহায়তায় কাউগাঁ-হুগলীপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে গিয়েছে। পাঠশালা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই অনন্য শিক্ষা অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। শিক্ষক নাজমুল হাসান জয় ও সাহানাজ পারভীন সানুর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা ব্রি দিনাজপুরের সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালনা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিনাজপুর সদরের কাউগাঁ-হুগলীপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে ৫৪টি ধান জাতের প্রদর্শনী পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীরা
- 📌 ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসান শিক্ষার্থীদের কৃষি প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন
- 📌 অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারহান আহনাফ বলেছেন, ‘আমরা ধানের উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আগে জানতাম না’
- 📌 সপ্তম শ্রেণির আলিশা ফাইরুজ বলেছেন, ‘এক মাঠে ৫৪ জাতের ধান দেখে আমি বিস্মিত’
- 📌 ব্রি আঞ্চলিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসান বলেছেন, ‘ভবিষ্যতের নেতারা এই অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হবে’
- 📌 বাংলাদেশে ১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম রয়েছে, যেখানে তিন মৌসুমের ধান প্রদর্শিত হয়
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সহায়তায় দিনাজপুর সদরের কাউগাঁ-হুগলীপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে শিক্ষার্থীরা তিন মৌসুমের বিভিন্ন ধান জাতের প্রদর্শনী দেখেছে। শিক্ষার্থীরা ব্রির আঞ্চলিক কেন্দ্রে প্রথমে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন ধান জাতের পরিচয় লাভ করেছে। এরপর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসানের নির্দেশনায় তারা প্রযুক্তি গ্রামের রাইস গার্ডেন পরিদর্শন করেছেন।
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারহান আহনাফ বলেছেন, ‘আমরা প্রতিদিন ভাত খাই, কিন্তু ধান উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের ধারণা ছিল না। শিক্ষকদের ধন্যবাদ, তাঁরা আমাদের এই সুযোগ করে দিয়েছেন। এখানে দেখেছি যে ধানের এত জাত আছে, যা আমরা আগে জানতাম না। দিনাজপুরে এত সুগন্ধি ধান আবাদ হয়, এটাও জানতাম না। এটি আমার জীবনের একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা।’
সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিশা ফাইরুজ বলেছেন, ‘এক মাঠে ৫৪ জাতের ধান দেখে আমি বিস্মিত। আগে ধানখেত দেখেছি, কিন্তু এভাবে কখনো দেখিনি। দিনাজপুরে এত জাতের ধান আবাদ হয়! দিনাজপুরের সন্তান হিসেবে নিজেকে খুব গর্বিত মনে হচ্ছে।’
ব্রি দিনাজপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসান বলেছেন, ‘এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে কৃষকদের আধুনিক ধান চাষ প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় ঘটছে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দেখে আমি খুশি। ভবিষ্যতে তারা দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অনেক কাজে দেবে।’
"আমরা প্রতিদিনই ভাত খাই। তবে ধান উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমাদের ধারণা ছিল না। আমাদের শিক্ষকদের ধন্যবাদ, তাঁরা আমাদের এ সুযোগ করে দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাউগাঁ-হুগলীপাড়া প্রযুক্তি গ্রাম, দিনাজপুর সদর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল হাসান জয়, সাহানাজ পারভীন সানুর, ফারহান আহনাফ, আলিশা ফাইরুজ, সৈয়দ জাহিদ হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪টি ধান জাত, ১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!