📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর ইরা রব্বানী যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ স্কলারশিপে পাস করে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্লোবাল ক্রাইম, জাস্টিস অ্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। তিনি গবেষণা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সক্রিয় ছিলেন এবং এখন যুক্তরাজ্যে আইনি গবেষণা ও জার্নাল সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করছেন
বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থী ইরা রব্বানী ঢাকার বেড়ে ওঠা স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী যিনি যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ স্কলারশিপে পাস করে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্লোবাল ক্রাইম, জাস্টিস অ্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। তাঁর পড়াশোনা ও গবেষণার পথে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনুপ্রেরণা ছিল মূল চালিকাশক্তি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী ইরা রব্বানী যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ স্কলারশিপে পাস করে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন
- 📌 ১২ বছরের পড়াশোনায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন
- 📌 গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণ, সিআইডি ও কাউন্টার-টেররিজম ইউনিটের সাথে কাজ এবং অনলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত থাকার মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণায় সক্রিয় ছিলেন
- 📌 যুক্তরাজ্যের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ্লোবাল ক্রাইম, জাস্টিস অ্যান্ড সিকিউরিটি’ কোর্সে পড়াশোনা করছেন, যেখানে ১৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন
- 📌 এডিনবরা ইন্টারন্যাশনাল জাস্টিস ইনিশিয়েটিভে লিগ্যাল রিসার্চার এবং এডিনবরা ল স্কুলের ‘কনটেম্পরারি চ্যালেঞ্জেস’ জার্নালে ডেপুটি এডিটর-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
📰 বিস্তারিত
ইরা রব্বানী ঢাকায় বেড়ে উঠেছেন এবং তাঁর শিক্ষাজীবনের শুরু হয়েছিল ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজে। দীর্ঘ ১২ বছরের পড়াশোনায় তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন, যাঁদের অনুপ্রেরণা তাঁকে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি অপরাধবিজ্ঞান বিষয় বেছে নেন এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি একই বিভাগ থেকে অর্জন করেন।
ইরার পড়াশোনা শুধু ক্লাসরুমে সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রথম বর্ষ থেকেই তিনি গবেষণা প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন এবং সিআইডি ও কাউন্টার-টেররিজম ইউনিটের সাথে কাজ করেছেন। পাশাপাশি টেন মিনিট স্কুল ও শিখোর মতো অনলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের আইইএলটিএস পড়াতেন এবং নিজেও উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতেন। করোনা মহামারির সময় তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসে রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কাজ শুরু করেন। তাঁর সুপারভাইজার ও লাইন ম্যানেজার দুজনই কমনওয়েলথ স্কলার ছিলেন, যাঁদের অনুপ্রেরণা তাঁকে এই বৃত্তিতে আবেদনের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছিল।
কমনওয়েলথ স্কলারশিপের জন্য প্রস্তুতির শুরু হয়েছিল আইইএলটিএস দিয়ে। তিনি একটি এক্সেলশিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং, সাবজেক্ট র্যাঙ্কিং এবং অধ্যাপকদের তালিকা গুছিয়ে রাখেন। কমনওয়েলথ স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া পুরোপুরি নির্ভর করে জমা দেওয়া অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রবন্ধের ওপর। ইরা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আবেদন করেন এবং পরের বছরের সেপ্টেম্বর সেশনের জন্য মনোনীত হন। তিনি আবেদন করেছিলেন অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়েও, কিন্তু শেষমেশ এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ্লোবাল ক্রাইম, জাস্টিস অ্যান্ড সিকিউরিটি’ কোর্সটি তাঁর নজর কাড়ে।
"শুধু ভালো ফলই যথেষ্ট নয়, এসেইতে সত্যিকারের মোটিভেশন ফুটিয়ে তোলাই আসল চ্যালেঞ্জ। অতিরঞ্জিত না করে বিশ্বাসযোগ্যভাবে নিজের গল্প বলাই এখানে সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ, যুক্তরাজ্যের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরা রব্বানী, আনিসুল ইসলাম নাঈম, শিক্ষক-শিক্ষিকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর (পড়াশোনা), ১৭ জন (শিক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!