📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষায় সাফিয়া তাসনিম সেমন্তি, ফারিহা রহমান ও আল ইশরাত জাহান ঈশিতা যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। তাদের সাফল্যের গল্পে রয়েছে পরিশ্রম, পরিবারের সমর্থন ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতি অটুট আগ্রহ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস চূড়ান্ত পরীক্ষায় তিনজন স্নাতকী সাফল্যের শীর্ষে দাঁড়িয়েছেন। সাফিয়া তাসনিম সেমন্তি, ফারিহা রহমান ও আল ইশরাত জাহান ঈশিতা যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন। তাদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ পরিশ্রম, পরিবারের সমর্থন ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে গভীর আগ্রহ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সাফিয়া তাসনিম সেমন্তি** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষায় **প্রথম স্থান** অধিকার করেছেন। বগুড়া জন্মগ্রহণকারী তিনি বর্তমানে ঢাকার সাভারে বসবাস করেন।
- 📌 **ফারিহা রহমান** (ঢাকার বাসিন্দা) **দ্বিতীয় স্থান** পেয়েছেন। তিনি মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও হলিক্রস কলেজে পড়াশোনা করেছেন।
- 📌 **আল ইশরাত জাহান ঈশিতা** (কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের বাসিন্দা) **তৃতীয় স্থান** অধিকার করেছেন। তিনি হলিক্রস কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়ন করেছেন।
- 📌 তিনজনেই **ঢাকা মেডিকেল কলেজ** থেকে এমবিবিএস পড়াশোনা করেছেন।
- 📌 তাদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে **পরিশ্রম, পরিবারের সমর্থন ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে গভীর জ্ঞান**।
📰 বিস্তারিত
সাফিয়া তাসনিম সেমন্তি বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি ঢাকার সাভারের এ ই আর ই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে যথাক্রমে এসএসসি ও উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন। ছোটবেলা থেকে পড়াশোনায় ভালো ছিলেন সাফিয়া। মা-বাবার স্বপ্ন ছিল তাঁকে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলা। ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার পর তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ আরও গভীর করেন। ফাইনাল পরীক্ষায় তিনি মেডিসিন, সার্জারি এবং গাইনোকোলজি ও অবস্টেট্রিকসের পাশাপাশি লিখিত, মৌখিক ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় অংশ নেন। সাফিয়া বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত কতটা গুছিয়ে উঠতে পেরেছিলাম, সেটাও জানি না। শুধু নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’
ফারিহা রহমানের শিক্ষাজীবনের শুরু মনিপুর উচ্চবিদ্যালয়ে। হলিক্রস কলেজে পড়ার সময়ই তিনি চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি বলেন, ‘মেডিকেল পড়াশোনা শুধু মুখস্থ করার বিষয় নয়; অ্যানাটমি, ফিজিওলজি ও প্যাথলজির মধ্যে রয়েছে গভীর যোগসূত্র। এই সংযোগ বুঝতে শুরু করার পর পড়াশোনা আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।’ ফাইনাল প্রফে তিনি মেডিসিন, সার্জারি এবং গাইনোকোলজি অ্যান্ড অবস্টেট্রিকসের পরীক্ষায় অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘পরিবারের দোয়া ও আল্লাহর রহমতকে সবচেয়ে বড় শক্তি মনে করি।’
আল ইশরাত জাহান ঈশিতা কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের হাওরঘেরা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এখানে এখনো মানসম্মত চিকিৎসাসেবা অনেকের নাগালের বাইরে। সেই বাস্তবতা কাছ থেকে দেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা তৈরি হয়।’ হলিক্রস কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করার পর তিনি ফাইনাল পরীক্ষায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। তিনি বলেন, ‘এই সাফল্যের পেছনে কোনো জাদুকরি কৌশল ছিল না। শুধু পরিশ্রম ও ধৈর্য ছিল।’
"শেষ পর্যন্ত কতটা গুছিয়ে উঠতে পেরেছিলাম, সেটাও জানি না। শুধু নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।"
"ভয় পেয়ো না। তুমি যেহেতু পরিশ্রম করেছ, আল্লাহ অবশ্যই তোমার পরিশ্রমের ফল দেবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজ (ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সাভার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাফিয়া তাসনিম সেমন্তি, ফারিহা রহমান, আল ইশরাত জাহান ঈশিতা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (সাফিয়া), ২ (ফারিহা), ৩ (আল ইশরাত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!