📌 দুর্গম এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য বিদ্যালয়ভিত্তিক ‘দুর্গম ভাতা’ চালুর পরিকল্পনা করেছে সরকার। একই সঙ্গে নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় মডুলার বিল্ডিং নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দুর্গম এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য বিদ্যালয়ভিত্তিক ‘দুর্গম ভাতা’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নদীভাঙনসহ বিভিন্ন কারণে বিদ্যালয় স্থানান্তরের ঝুঁকিতে থাকা এলাকায় ‘মডুলার বিল্ডিং’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের জন্য বিদ্যালয়ভিত্তিক ভাতা চালুর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন
- 📌 নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় বিদ্যালয় স্থানান্তরের ঝুঁকি কমাতে ‘মডুলার বিল্ডিং’ নির্মাণের উদ্যোগ
- 📌 শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে শ্রেণিকক্ষে সংকট নিরসনের পরিকল্পনা
- 📌 স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে মায়েদের সম্পৃক্ত করে শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের উদ্যোগ
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর দুই লক্ষ্য: কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচিবিষয়ক প্রকল্পের ওপর প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুর্গম অঞ্চলে কর্মরত শিক্ষকদের প্রতিকূলতা বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যালয়ভিত্তিক ভাতা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন কারণে বিদ্যালয় বারবার স্থান পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকলে সেসব এলাকায় স্থানান্তরযোগ্য অবকাঠামো হিসেবে ‘মডুলার বিল্ডিং’ নির্মাণের মডেল নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মডেল পর্যালোচনা করে সরকারি ব্যবস্থায় তা প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষক-সংকট নিরসনে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে যাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের বাইরে থেকে প্রশিক্ষণ নিতে না হয়। একই সঙ্গে মূল্যায়নভিত্তিক পদোন্নতি, নতুন বদলি নীতি এবং শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। শূন্য পদ পূরণ, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিশ্চিত করার কাজ চলমান রয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের তামিলনাড়ুর অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে বাংলাদেশেও মায়েদের সম্পৃক্ত করে শিশুদের জন্য রান্না করা খাবার সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাজার থেকে শাকসবজি, ডিম, মাছসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে মায়েদের মাধ্যমে রান্না ও সরবরাহের সম্ভাব্য মডেলগুলো পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে।
‘প্রধানমন্ত্রীর প্রধান দুটি লক্ষ্য হলো—কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না এবং সবাইকে মানসম্মত শিক্ষা দিতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—প্রাথমিক শিক্ষার এই পাঁচটি ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করাই হবে পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ববি হাজ্জাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ আসন, ২ যুবক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!