📌 সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সাদিয়া তাসনিম সিথি এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টের বৃত্তি পেয়ে পড়াশোনার খরচ মেটানোর সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি
সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছেন অদম্য মেধাবী মোছা. সাদিয়া তাসনিম সিথি। এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে পরিবারের গৌরব বৃদ্ধি করেছেন এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নের পথে আরও এগিয়ে যাচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জিপিএ-৫** পেয়ে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সাদিয়া তাসনিম সিথি এইচএসসিতে সাফল্য অর্জন করেছেন ধানগড়া মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে।
- 📌 **এসএসসিতেও জিপিএ-৫** পেয়েছিলেন তিনি ধানঘরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে।
- 📌 **ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টের বৃত্তি** পেয়ে পড়াশোনার খরচ মেটানোর সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
- 📌 **রাজশাহী শহরে কোচিং** করছেন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতির জন্য।
- 📌 **মা-বাবা ও শিক্ষকদের** প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, “ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্ট আমাকে এ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে এসেছে।”
📰 বিস্তারিত
সাদিয়া তাসনিম সিথি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ঝাপড়া চকমথুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবা মো. সরওয়ার্দী সরকার এবং মা মোছা. ফেরদৌসী বেগম। পরিবারের বড় ছেলে সুলতানুল আরেফিন বর্তমানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থী। সাদিয়া তাসনিমের পরিবার বসতবাড়ি এবং সামান্য চাষের জমি নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।
সাদিয়া তাসনিমের পড়াশোনার ইতিহাসও সফলতার সাথে গড়া। তিনি ধানগড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এসএসসি পরীক্ষায় তিনি ধানঘরা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল পাওয়ার পর কলেজে পড়ার খরচ নিয়ে পরিবার দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন। কিন্তু ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টের বৃত্তি লাভ করে তিনি পড়াশোনার খরচ মেটাতে সক্ষম হন।
সাদিয়া তাসনিম এইচএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর ফোনে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই সফলতা আমাকে আমার ভবিষ্যৎ গড়তে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। জীবনের প্রতিকূলতায় কিছু মাধ্যম থাকে, যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ তা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেন। ঠিক সে রকমই আমার পাশে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্ট, যার সমর্থন মূলত আমাকে এ পর্যন্ত আসতে অনুপ্রাণিত করেছে। আশা করি, তাদের সমর্থন আমাকে ভবিষ্যতেও এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।”
সাদিয়ার মা বলেন, “দুই সন্তানই পড়াশোনায় ভালো। ছেলেটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে। মেয়েটাও এবার আইএ পরীক্ষায় ভালো ফল করেছে। এখন অপেক্ষা ভালো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার। এ জন্য সবার কাছে মেয়ের জন্য দোয়া কামনা করছি।” তিনি আরও জানান, মেয়ের এইচএসসি পড়ালেখার সময় ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্টের বৃত্তি দিয়ে খুব উপকার করেছে।
ধানগড়া মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মাসুদ রানা বলেন, “অদম্য মেধাবী সাদিয়া তাসনিম জিপিএ-৫ পেয়ে কলেজের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন। তিনি একজন উদাহরণস্বরূপ শিক্ষার্থী যিনি সাফল্যের পথে অগ্রসর হচ্ছেন।”
"এই সফলতা আমাকে আমার ভবিষ্যৎ গড়তে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। জীবনের প্রতিকূলতায় কিছু মাধ্যম থাকে, যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ তা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেন। ঠিক সে রকমই আমার পাশে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথম আলো ট্রাস্ট, যার সমর্থন মূলত আমাকে এ পর্যন্ত আসতে অনুপ্রাণিত করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা, ঝাপড়া চকমথুর এলাকা, ধানগড়া মহিলা কলেজ, রাজশাহী শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোছা. সাদিয়া তাসনিম সিথি, মো. সরওয়ার্দী সরকার, মোছা. ফেরদৌসী বেগম, সুলতানুল আরেফিন, মো. মাসুদ রানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জিপিএ-৫ (এসএসসি, এইচএসসি, প্রাথমিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!