📌 বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকার অনুকূলে অর্থ ছাড় করেছে। প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে একাংশের অবসর ও কল্যাণসুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষার পর অবসর ও কল্যাণসুবিধার অর্থ পেতে শুরু করেছেন। আবেদনকারী প্রায় সব শিক্ষক-কর্মচারীর অনুকূলে একসঙ্গে প্রাপ্য সুবিধার একাংশের অর্থ ছাড় করেছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসরসুবিধা বোর্ড এবং শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অবসর ও কল্যাণসুবিধার অর্থ ছাড় শুরু হয়েছে সরকারি উদ্যোগে
- 📌 প্রায় ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর অনুকূলে অর্থ প্রদান করা হচ্ছে
- 📌 অবসরসুবিধা হিসেবে প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা এবং কল্যাণসুবিধা হিসেবে ৬৪৭ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে
- 📌 আবেদনকারীদের মধ্যে যাঁরা এখনো অর্থ পাননি, তাঁদের পর্যায়ক্রমে দেওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ
- 📌 আবেদনে ভুল থাকায় এবং অসম্পূর্ণ আবেদনের কারণে কিছু শিক্ষক-কর্মচারী এখনো অর্থ পাননি
📰 বিস্তারিত
২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের পর থেকে অবসরসুবিধা প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়। এ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছিল। অনেক শিক্ষক-কর্মচারীকে প্রাপ্য টাকা পেতে ঘুষ দিতে হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর অবসরভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অনিয়ম ও অবহেলার কারণে অবসরের পর প্রাপ্য অর্থ পেতে শিক্ষক-কর্মচারীদের তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো।
গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর ও কল্যাণসুবিধার অর্থ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। একই দিন আবেদনকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে অর্থ ছাড় করা হয়। তাঁদের মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে অর্থ ছাড়ের তথ্যও জানানো হয়।
কল্যাণসুবিধার ক্ষেত্রে একজন শিক্ষক-কর্মচারী সর্বনিম্ন প্রায় ৫ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত পেয়েছেন। অন্যদিকে অবসরসুবিধার জন্য সর্বোচ্চ সাড়ে চার লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। তবে আপাতত যে অর্থ দেওয়া হচ্ছে, তা তাঁদের পুরো প্রাপ্য নয়।
"অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তবে পুরো প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করতে সরকারের বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ হাজার ১১৯ জন, ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, ৬৪৭ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!