📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত পাঁচ বছরে যৌন হয়রানি, অ্যাকাডেমিক দুর্নীতি ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে চার শিক্ষকসহ এক চিকিৎসককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সর্বশেষ প্রভাস কুমারকে যৌন হয়রানি ও দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত করা হয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত পাঁচ বছরে যৌন হয়রানি, অ্যাকাডেমিক দুর্নীতি, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও জালিয়াতির অভিযোগে চার শিক্ষকসহ এক চিকিৎসককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ৫৪৮তম সিন্ডিকেট সভায় পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাস কুমারকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে চাকরিচ্যুত করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত পাঁচ বছরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার শিক্ষকসহ এক চিকিৎসককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে
- 📌 প্রভাস কুমারকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে সর্বশেষ চাকরিচ্যুত করা হয়
- 📌 আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম সাগরকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে জানুয়ারিতে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়
- 📌 মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উম্মে হাবিবা জেসমিন ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক সালমা খাতুনকে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও জালিয়াতির অভিযোগে ২০২২ সালে চাকরিচ্যুত করা হয়
- 📌 রাবির চিকিৎসাকেন্দ্রের উপপ্রধান চিকিৎসক ডা. রাজু আহমেদকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ২০২৪ সালে চাকরিচ্যুত করা হয়
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত পাঁচ বছরে যৌন হয়রানি, অ্যাকাডেমিক দুর্নীতি ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির অভিযোগে চার শিক্ষকসহ এক চিকিৎসককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ৫৪৮তম সিন্ডিকেট সভায় পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাস কুমারকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে চাকরিচ্যুত করা হয়।
এর আগে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ৫৪৫তম সিন্ডিকেট সভায় আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম সাগরকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে। পরদিন বিষয়টি তদন্তে বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়। পরে ৫৩৩তম সিন্ডিকেট সভায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়।
২০২২ সালের ২৯ মে অনুষ্ঠিত ৫১৪তম সিন্ডিকেট সভায় মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উম্মে হাবিবা জেসমিন ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক সালমা খাতুনকে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও জালিয়াতির অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়। উম্মে হাবিবার বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, অনুমতি ছাড়া ছুটিতে থাকা এবং ছাড়পত্র না নিয়ে বিদেশে অবস্থানের অভিযোগ ছিল। অন্যদিকে সালমা খাতুনের বিরুদ্ধে সুপারভাইজার ও চিকিৎসকের সই জাল করে মাতৃত্বকালীন ছুটি নেওয়ার অভিযোগ ছিল।
"কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই আমরা সরাসরি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিই না। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শিক্ষক-কর্মকর্তা যেই হোন না কেন, অনিয়ম, দুর্নীতি বা যৌন হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হলে চাকরিচ্যুতির মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রভাস কুমার, সাদিকুল ইসলাম সাগর, উম্মে হাবিবা জেসমিন, সালমা খাতুন, ডা. রাজু আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর, ৪ শিক্ষক, ৫৪৮তম সিন্ডিকেট সভা, ৫১৪তম সিন্ডিকেট সভা, ৫৩৩তম সিন্ডিকেট সভা, ৫৩১তম সিন্ডিকেট সভা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!