📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের দাপ্তরিক খরচ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটি জানায়, তিন লাখ ৭০ হাজার টাকার বাজেটের বিপরীতে প্রকৃত খরচ ছিল মাত্র ৫০-৬০ হাজার টাকা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের দায় নেবে না ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের দাপ্তরিক খরচ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির
- 📌 অভিযোগ অনুসারে, আম্মার তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে বিভিন্ন দপ্তরের নামে খরচ দেখিয়েছেন
- 📌 সংগঠনের দাবি, প্রকৃত খরচ ছিল মাত্র ৫০-৬০ হাজার টাকা
- 📌 শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল জানান, আম্মার ব্যক্তিগত অনিয়ম এড়াতে অন্য দফতরের ওপর দায় চাপিয়েছেন
- 📌 সংগঠনটি দাবি জানায়, নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা, শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করা এবং মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠার মতো দাবিগুলো পূরণ করতে হবে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এ অভিযোগ তুলে ধরেন। শিবির সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল জানান, জিএস দাপ্তরিক কাজের কথা বলে তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে বিভিন্ন দপ্তরের নামে খরচ দেখিয়েছেন, যা তাদের কাছে অবাস্তব মনে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অন্য সব দফতর মিলে সর্বসাকুল্যে ৫০-৬০ হাজার টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়। এভাবে অন্যান্য দফতরের ওপর দায় চাপিয়ে তিনি ব্যক্তিগত অনিয়ম এড়াতে পারেন না। কোন দফতরে কত টাকা খরচ হয়েছে, এর তথ্য-প্রমাণসহ সুনির্দিষ্ট হিসাব প্রকাশের দাবি জানান মুজাহিদ ফয়সাল। সালাহউদ্দিন আম্মার তাদের প্যানেলের না হওয়ায় তার কর্মকাণ্ড ও আর্থিক হিসাবের কোনো দায় ছাত্রশিবির নেবে না বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে শিবির নির্বাচনের তপশিল ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবি জানায়। তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা চালু, পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কার্যকর করা।
রাকসু নির্বাচনকে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে শিবির সভাপতি বলেন, ইতোমধ্যেই রাকসু নির্বাচনের ১০ মাস অতিবাহিত হচ্ছে। তিনি জানান, যথাসময়ে রাকসু বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের চাওয়া পূরণ করা সম্ভব হবে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
"আপনারা দেখবেন, ক্যাম্পাসে ট্যাগিং-ফ্রেমিং বা নারী শিক্ষার্থীদের বুলিং কিন্তু আগের মতো হচ্ছে না। আগের মতো ক্যাম্পাসে মাদকের ছড়াছড়ি নেই। ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত হয়েছে এবং আসন বাণিজ্যের কবর রচিত হয়েছে। গেস্টরুম কালচার, গণরুম কালচার নেই। ক্যাম্পাসগুলোতে মেধা এবং সিনিয়রিটির ভিত্তিতে আসন বণ্টন হচ্ছে, যেটি সবচেয়ে বড় একটি পরিবর্তন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: মুজাহিদ ফয়সাল (শিবির সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৫০-৬০ হাজার টাকা, ১০ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!