📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যৌন হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্থায়ী বহিষ্কার

যৌন হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্থায়ী বহিষ্কার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যৌন হয়রানি ও একাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ফোরাম সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে যৌন হয়রানি ও একাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে
  • 📌 যৌন হয়রানি ও একাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
  • 📌 সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
  • 📌 অভিযোগের তদন্তে একাধিক কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং উচ্চতর কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

যৌন হয়রানি ও একাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ জানান, অধ্যাপক প্রভাষ কুমারের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি ও একাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই দুই কমিটি তাঁকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী একটি উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উচ্চতর তদন্ত কমিটিতে অধ্যাপক প্রভাষ কুমারের এক প্রতিনিধি দেওয়ার সুযোগ ছিল। তবে তিনি প্রতিনিধি দেননি। বিভিন্ন সময়ে তিনি লিখিতভাবে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। উচ্চতর কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই সিন্ডিকেট তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে।

অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। তদন্তে আমার প্রতিনিধি দেওয়ার জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। একতরফাভাবে ষড়যন্ত্র করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার পাইনি।’

‘আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। তদন্তে আমার প্রতিনিধি দেওয়ার জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। একতরফাভাবে ষড়যন্ত্র করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার পাইনি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রভাষ কুমার কর্মকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪৮ (সিন্ডিকেট সভার ক্রমিক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖