📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যৌন হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক বরখাস্ত

যৌন হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক বরখাস্ত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
  • 📌 অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল
  • 📌 প্রভাষ কুমার কর্মকার দাবি করেছেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার
  • 📌 গত বছরের ৪ আগস্ট তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ উঠেছিল

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় তাঁকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ জানান, প্রভাষ কুমার কর্মকারের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি দুটি তাঁকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী একটি উচ্চতর কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে তাঁর একজন প্রতিনিধি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি দেননি।

প্রভাষ কুমার কর্মকার দাবি করেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার এবং তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। তদন্ত কমিটিতে আমার প্রতিনিধি দেওয়ার জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৪ আগস্ট প্রভাষ কুমার কর্মকারের বিরুদ্ধে তাঁর বিভাগের এক ছাত্রীকে তাঁর চেম্বারে ডেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে গত বছরের ১৩ আগস্ট বিভাগের সভাপতি বরাবর অভিযোগ দেন ওই শিক্ষার্থীর মা। অভিযোগ তদন্তে বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিকতর তদন্ত করে। পরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর প্রভাষ কুমারকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

‘তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী গত সিন্ডিকেট সভায় তাঁকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।’ — অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম, উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রভাষ কুমার কর্মকার, অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪৮ (সিন্ডিকেট সভার ক্রমিক সংখ্যা), ৪ আগস্ট, ১৩ আগস্ট, ৯ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖