📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা আনতে কোডিং পদ্ধতি চালু করেছে। ছয়টি বিভাগে শুরু হয়েছে এই পদ্ধতি, যা পরীক্ষার্থীদের পরিচয় লুকিয়ে রাখবে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম সেমিস্টার থেকে কার্যকর হবে এটি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে একটি নবীন পদ্ধতি চালু করেছে। এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীদের নাম, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লুকিয়ে রাখা হবে, ফলে পরীক্ষকরা তাদের পরিচয় জানতে পারবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা বিভাগের সহ-উপাচার্যরা এই উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতি চালু হয়েছে, যা স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করবে
- 📌 পরীক্ষার্থীদের নাম, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লুকিয়ে রাখা হবে, শুধু কোড নম্বর থাকবে পরীক্ষকের সামনে
- 📌 প্রথম পর্যায়ে ছয়টি বিভাগে (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান, ট্যুরিজম ও কম্পিউটার সায়েন্স) পদ্ধতি কার্যকর
- 📌 ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম সেমিস্টার থেকে কার্যকর হবে এই পদ্ধতি
- 📌 সহ-উপাচার্য মামুনুর রশীদ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন ও ফলাফলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সম্মেলনকক্ষে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় ছয়টি বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছে কোডিং পদ্ধতির প্রয়োজনীয় উপকরণ হস্তান্তর করা হয়। সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) মো. আব্দুল আলিম ও সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) মামুনুর রশীদ উপকরণ হস্তান্তর করেন। মামুনুর রশীদ জানান, এই পদ্ধতির লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন এবং ফলাফলে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। পক্ষপাতের সুযোগ বন্ধ করার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কোডিং পদ্ধতিতে উত্তরপত্রের মলাটে দুটি অংশ থাকবে। একটি অংশে পরীক্ষার্থীর নাম, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকবে, অন্যটিতে একটি নির্দিষ্ট কোড নম্বর থাকবে। পরীক্ষক শুধু কোড নম্বরযুক্ত উত্তরপত্র পাবেন। মূল্যায়ন শেষে কোডের সঙ্গে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত তথ্যের অংশ মিলিয়ে শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর নির্ধারণ করা হবে। এরপর নম্বরপত্র তৈরি করে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
প্রথম পর্যায়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
"শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন, ফলাফলে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং পক্ষপাতের সুযোগ বন্ধ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহ-উপাচার্য মামুনুর রশীদ, সহ-উপাচার্য মো. আব্দুল আলিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬টি বিভাগে শুরু, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম সেমিস্টার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!