📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে এক শিক্ষার্থীকে রাতভর মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আসিফ মিয়া দাবি করেছেন, ছাত্রদল নেতারা তাকে ‘শিবিরের স্পাই’ বলে চিহ্নিত করে নির্যাতন করেছেন। ছাত্রদল নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, শিক্ষার্থী অবৈধভাবে হলেই অবস্থান করছিলেন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে এক শিক্ষার্থীকে রাতভর মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আসিফ মিয়া (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী) দাবি করেছেন, ছাত্রদল নেতারা তাকে ‘শিবিরের স্পাই’ বলে চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতন করেছেন। তবে ছাত্রদল নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, শিক্ষার্থী অবৈধভাবে হলেই অবস্থান করছিলেন এবং তাদের কোনো হেনস্তা করেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাত ৩টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে শিক্ষার্থী আসিফ মিয়া (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ)কে রাতভর মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, ছাত্রদল নেতা ফুয়াদ ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগের সময় তার মোবাইল ফোন নেওয়া হয় এবং ‘শিবিরের স্পাই’ বলে চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
- 📌 আসিফের অভিযোগ, তার মোবাইল থেকে ভিডিও ধারণ করা হয় এবং তাকে লিখিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
- 📌 ছাত্রদল নেতা ফুয়াদ বলেছেন, আসিফ অবৈধভাবে হলেই অবস্থান করছিলেন এবং শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য ফোনে পাওয়া গেছে।
- 📌 শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেছেন, আসিফকে হল ছাত্রদলের গ্রুপে যুক্ত করার সময় শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগের রেকর্ড পাওয়া গেছে।
📰 বিস্তারিত
ভুক্তভোগী আসিফ মিয়া জানিয়েছেন, তিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে হলে একটি সিটের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। পরে গণরুমে ফাঁকা সিটের বিষয়ে জানতে গেলে ছাত্রদলের হল সভাপতি ফুয়াদ ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। ফুয়াদ তাকে বলেন, ছাত্রদল করলেই সিট দেওয়া হবে। আসিফ রাজি হন এবং ফুয়াদের কক্ষে গেলে তার মোবাইল ফোন নেওয়া হয়। এরপর ফোনের বিভিন্ন বিষয় চেক করে তাকে ‘শিবিরের স্পাই’ বলে অভিযোগ করা হয়। আসিফ বলেন, “আমাকে ধমক দিয়ে মারধর করা হয় এবং গণরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আমার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বিভিন্ন ভিডিও ধারণ করা হয় এবং আমাকে লিখিয়ে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।”
ছাত্রদল নেতা ফুয়াদ দাবি করেছেন, আসিফ তিন মাস ধরে অবৈধভাবে হলেই অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, “আসিফ আমাকে জানিয়েছিলেন যে তার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড বিএনপির এবং ছাত্রদলে নেওয়া হলে তিনি ছাত্রদল করবেন। তার ফোনে শিবিরের সভাপতি রাফসানের সঙ্গে কথোপকথন দেখা গেছে, যেখানে তারা দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে। তিনি আমাকে রেকর্ড চালু রাখতে এবং কথাবার্তা শিবিরকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।”
আসিফ বলেছেন, “আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, আমার বিভাগ ও শিক্ষকদের কাছে সহযোগিতা চাই। আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং আমি নিরাপদে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি।”
"শিবিরের স্পাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শহীদ শামসুজ্জোহা হল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসিফ মিয়া (ভুক্তভোগী), ফুয়াদ (ছাত্রদল সভাপতি), রাফসান (শিবির সভাপতি), সুলতান আহমেদ রাহী (শাখা ছাত্রদল সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ টা (ঘটনার সময়), ২০২৪-২৫ (শিক্ষাবর্ষ), ৩ মাস (অবৈধ অবস্থান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!