📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সালাউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে ‘বাকশাল’ নামে গরু জবাই করে ‘জুলাই জিয়াফত’ আয়োজন করা হয়েছে। ৭৫০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ৬৫০ জনের জন্য গরু ভোজ ও বাকিদের জন্য অন্যান্য খাবার রাখা হয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে ‘বাকশাল’ নামে একটি গরু জবাই করে ‘জুলাই জিয়াফত’ নামে ভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সালাউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে ‘বাকশাল’ নামে গরু জবাই করে ‘জুলাই জিয়াফত’ আয়োজন করা হয়েছে
- 📌 অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে
- 📌 আয়োজনে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৫ টাকা নিবন্ধন ফি নেওয়া হয়েছে
- 📌 ৭৫০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন, যার মধ্যে ৬৫০ জনের জন্য গরু ভোজ ও বাকিদের জন্য অন্যান্য খাবার রাখা হয়েছে
- 📌 সালাউদ্দিন আম্মার জানান, এটি রাকসুর আয়োজন নয়, বরং তাঁর এক ভাইয়ের উপহার
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে আয়োজিত ‘জুলাই জিয়াফত’ নামে ভোজ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জড়ো হন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সালাউদ্দিন আম্মার তাঁর ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তায় জানান, ‘১৫ আগস্ট আমাদের প্রাণপ্রিয় গরুটার নাম দেওয়া হয়েছে বাকশাল। এই গরুটাকে কোরবানি করে উদ্যাপন করব।’
গতকাল শুক্রবার রাতে ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘এটাকে জুলাই জিয়াফতও বলতে পারেন।’ এরপর গভীর রাতে গরু জবাইয়ের পর সালাউদ্দিন আম্মার তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘১৫ আগস্ট রাতেই বাকশালকে শুয়াইয়া দিলাম।’
আয়োজনে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গুগল ফরমের মাধ্যমে ১৫ টাকা নিবন্ধন ফি নেওয়া হয়। আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন ৭৫০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৬৫০ জনের জন্য গরু ভোজ ও বাকি ১০০ জনের জন্য অন্যান্য খাবার রাখা হয়েছে।
তবে আয়োজনের প্রচারণা শুরুর পর জানা যায়, এটি রাকসুর কোনো আয়োজন নয়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা করেন। নিশা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘অথচ হলের খাবারের মান আগের মতোই আছে। ইন্টারনেটের বেহাল দশা। আবাসিক সমস্যার কোনো সমাধান নেই।’
দেলোয়ার হোসাইন নামের এক শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন আম্মারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মন্তব্য করেন, ‘তোর সমস্ত কাজকর্ম জুলাইয়ের আন্দোলন পর্যন্ত ঠিক ছিল। তার পর থেকে ব্যবহৃত হচ্ছিস।’
বেলা দেড়টার পর রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে অপেক্ষা করছেন। রাকসু ভবনের ভেতরে খাবারের প্যাকেট প্রস্তুত করে রাখা হয়। কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে ঘাসের ওপর কিছু ত্রিপল বিছানো হয়। জোহরের নামাজ শেষে বেলা পৌনে দুইটার দিকে শিক্ষার্থীরা আসতে শুরু করেন। ২টা ১০ মিনিটে রাকসু ভবন থেকে ভ্যানে করে খাবার আনা হয়।
"শুরুতে রাকসুর পক্ষ থেকে প্রচারণা চালানো হয়েছিল। তবে রাকসুর সব সদস্য এতে একমত হননি। পরে আমাদের এক ভাই এটি উপহার দিয়েছেন। এখানে রাকসু জড়িত নয়।"
"আজ বাকশাল পতনের ঐতিহাসিক দিন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি। সে জন্য গরুর নাম বাকশাল রাখা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাউদ্দিন আম্মার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ টাকা, ৭৫০ জন, ৬৫০ জন, ৩৫ বছর, ২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!