📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাডমিন্টন কোর্টের জন্য মারামারি: তিন শিক্ষার্থী আহত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাডমিন্টন কোর্টের জন্য মারামারি: তিন শিক্ষার্থী আহত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরির জন্য মারামারি হয়েছে। তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন নাক থেকে রক্তপাত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্তের কথা বলেছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরির জন্য মারামারি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঘটনাটি ঘটে এবং তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন নাক থেকে রক্তপাত করেছে এবং অন্য দুজন মাথা ও হাতে আঘাত পেয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়র সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়েছে।
  • 📌 তিন শিক্ষার্থী আহত — নৃবিজ্ঞান বিভাগের আলী চৌধুরী (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ), মো. শাওন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের তানভীর হোসাইন (২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ)।
  • 📌 তানভীর হোসাইন নাক ও চোখের নিচে আঘাত পেয়েছেন এবং নাক থেকে রক্তপাত করেছেন।
  • 📌 আহতদের চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে দেওয়া হয়েছে। একজন শিক্ষার্থীর হাড় ভেঙেছে কি না তা নিশ্চিত করতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্স-রে করা হয়েছে।
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্তের কথা বলেছে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ মীমাংসার চেষ্টা করেছে।

📰 বিস্তারিত

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঘটনাটি ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরির জন্য শুরু হয়েছিল। নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা কয়েক দিন আগে সেখানে কোর্ট তৈরির জন্য বাঁশ পুঁতে জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। পরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থীরা একই জায়গায় কোর্ট তৈরির উদ্যোগ নিলে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে কথা-কাটাকাটির পর মারামারি শুরু হয়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আহত শিক্ষার্থী তানভীর হোসাইন বলেন, ঘটনার সময় অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে তাঁদের ওপর হামলা করেছিলেন। তিনি ব্যাডমিন্টন কোর্টের বাঁশ দিয়ে আঘাত পেয়েছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। তিনি দাবি করেন, তাঁরা সেখানে কোর্ট তৈরি করেছিলেন এবং অন্য পক্ষের কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ ছিল না।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষার্থী (নাম প্রকাশ না করা) বলেন, তাঁরা কোর্ট তৈরির জন্য বাঁশ পুঁতে জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনুষ্ঠানের জন্য সেখানে বাঁশ পোঁতা হয়েছিল। অনুষ্ঠান শেষে ওই বিভাগের বাঁশের সঙ্গে তাঁদের বাঁশও তুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থীরা কোর্ট তৈরির চেষ্টা করলে তাঁরা মেনে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু জুনিয়র শিক্ষার্থীদের কোর্ট তৈরি করতে গেলে মারধর হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক এ এইচ এম খুরশিদ আলম বলেন, তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নাকে আঘাত লেগেছে, একজন মাথায় ক্ষত এবং একজন হাতে ব্যথা পেয়েছেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের অবস্থা গুরুতর নয়।

"ব্যাডমিন্টন কোর্টে কে আগে-পরে খুঁটি পুঁতে রেখেছিল, সেটা নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ হয়েছে। প্রথম দফায় আমরা মীমাংসা করে দিয়েছি। দ্বিতীয় দফায় আবার হাতাহাতি হয়েছে। তৃতীয় দফায় দুই বিভাগের শিক্ষকদের ডেকে এনে আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চলে যেতে বলা হয়।"

— বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলী চৌধুরী, মো. শাওন, তানভীর হোসাইন, অধ্যাপক এ এইচ এম খুরশিদ আলম, প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন আহত শিক্ষার্থী, ১৫-২০ জন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖