📌 দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের বিশেষ শিক্ষা সহায়তায় এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন স্কুলছাত্রী সাদিয়া আফরিন। তার মা আরফা বেগমের আবেদনের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েই নিয়মিত পড়াশোনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেন তিনি
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের বিশেষ শিক্ষা সহায়তায় এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন স্থানীয় কাদের বকস মেমোরিয়াল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন। তার মা আরফা বেগমের আবেদনের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েই নিয়মিত পড়াশোনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের বিশেষ শিক্ষা সহায়তায় এসএসসিতে জিপিএ-৫ পান সাদিয়া আফরিন
- 📌 মা আরফা বেগমের আবেদনের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েই নিয়মিত পড়াশোনা ও মূল্যায়ন চালু হয়
- 📌 সাদিয়ার বাড়ি দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসিমপুর সরকারপাড়া এলাকায়
- 📌 স্থানীয় বিদ্যালয় থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে একমাত্র সাদিয়াই জিপিএ-৫ পান
- 📌 জেলা প্রশাসক প্রতি বুধবার গণশুনানির সময় সাদিয়ার পড়া মূল্যায়ন করতেন
📰 বিস্তারিত
দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়মিত পড়াশোনা ও মূল্যায়নের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন সাদিয়া আফরিন। তার মা আরফা বেগম জেলা প্রশাসকের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন করেছিলেন। জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম প্রথমে অর্থ সহায়তা না দিয়ে সাদিয়াকে সাপ্তাহিক পড়া দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে নিয়মিত পড়াশোনার রুটিন তৈরি করে দেন তিনি। প্রতি বুধবার গণশুনানির সময় সাদিয়ার পড়া মূল্যায়ন করতেন জেলা প্রশাসক।
সাদিয়ার বাবা মো. সেলিম একজন চালকল শ্রমিক এবং মা আরফা বেগম গৃহস্থালির কাজের পাশাপাশি সেলাইয়ের কাজ করেন। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। জেলা প্রশাসকের বিশেষ সহায়তায় সাদিয়া নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতেন এবং পড়াশোনায় মনোযোগী হন। তার সাফল্যে খুশি হয়ে জেলা প্রশাসক তাকে অভিনন্দন জানান এবং মিষ্টিমুখ করান।
স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকসেদ আলী বলেন, জেলা প্রশাসক প্রায় সময়ই তাদের বিদ্যালয়ে আসতেন এবং ক্লাস নিতেন। তিনি সাদিয়াকে নিজের মেয়ের মতো দেখতেন এবং তার ভালো ফলের জন্য আনন্দিত।
‘মেয়ের বই কেনার জন্য আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে ডিসি স্যারের কাছে আবেদন করেছিলাম। স্যার আমাদের সহযোগিতা করেছেন। শুধু অর্থ দিয়ে নয়, মেয়েকে নিয়মিত পড়া দিয়েছেন, পড়া নিয়েছেন, খোঁজখবর নিয়েছেন। আজকে মেয়েটা ভালো রেজাল্ট করেছে!’ — আরফা বেগম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিনাজপুর সদর উপজেলার মাসিমপুর সরকারপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদিয়া আফরিন, আরফা বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (জিপিএ), ৪৩ (পরীক্ষার্থী), ২২ (পাস), ১৫ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!