📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ডাকসু নেতারা প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করে তার অফিস ঘেরাও করেছেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ডাকসু নেতারা প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করে রোববার সন্ধ্যায় তার অফিস ঘেরাও করেছেন। ঘটনাস্থলে ডাকসুর বিভিন্ন পদাধিকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ
- 📌 ডাকসু নেতারা প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করে তার অফিস ঘেরাও করেছেন
- 📌 প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীকে অপমান ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ
- 📌 প্রভোস্টের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর ফোন জোর করে নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
রোববার সন্ধ্যার পর থেকে ডাকসু নেতারা প্রভোস্টের অফিসের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। অভিযোগকারী শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম তার ফেসবুক পোস্টে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, প্রভোস্ট তাকে তার অফিসে ডেকে নিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করে অপমান করেছেন। এমনকি তার ফোন জোর করে নিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইব্রাহীম আরও জানান, প্রভোস্ট তাকে হুমকি দিয়ে বলেছেন যে তার বিরুদ্ধে সাইবার মামলা করা হবে। তাকে ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য হুমকিও দেওয়া হয়েছে। প্রভোস্টের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের পর ডাকসু নেতারা প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তারা প্রভোস্টকে তার কক্ষে তালাবদ্ধ করে রেখেছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ, বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ এবং সদস্য আনাস বিন মুনিসহ একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। প্রভোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
"আজ একটি আমি একটা পোস্ট শেয়ার করার কারণে প্রভোস্ট আমাকে উনার অফিসে ডাকল। তিনি আগে ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক জুনিয়রকেও এমন রুমে ডেকে চিৎকার-চেঁচামেচি করেছিল। ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে বের হয়েছিল। এটি মাথায় থাকায় আমি রুমের প্রবেশের আগে ফোনের অডিও রেকর্ড অন করে প্রবেশ করি। উনি কথাবার্তা শুরু মাঝেই চিৎকার করে বলল, আমার পকেটে ফোন থাকলে তা বের করতে। আমি ফোন বের করতে না চাইলে উনি চিৎকার দিয়ে চেয়ার থেকে উঠে আসে। এসে আমার ফোন জোর করে নিয়ে নেয়। এমনভাবে কেড়ে নেয় যে, মনে হচ্ছে কয়েকজন গুন্ডা আমাকে ধরে ফেলেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফজলুল হক মুসলিম হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন, শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪-২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!