📌 বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা আবার পরিচালনা কমিটির হাতে ফিরেছে। এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ থাকলেও পুরোনো নিয়ম ফিরে আসায় অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা আবার পরিচালনা কমিটির হাতে ফিরেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে নিয়োগ ক্ষমতা হস্তান্তর করা হলেও সম্প্রতি তা পুনর্বহাল করা হয়েছে। ফলে ট্রেড সহকারী, অফিস সহকারীসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের দায়িত্ব আবার পরিচালনা কমিটির ওপর ন্যস্ত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা আবার পরিচালনা কমিটির হাতে ফিরেছে
- 📌 গত বছরের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে নিয়োগ ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছিল
- 📌 ট্রেড সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের দায়িত্ব পরিচালনা কমিটির ওপর ন্যস্ত
- 📌 এনটিআরসিএর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল
- 📌 প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হয়েছিল ১৮ এপ্রিল, উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা এখনো হয়নি
📰 বিস্তারিত
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা আবার পরিচালনা কমিটির হাতে ফিরেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ট্রেড সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষমতা জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্তে ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরের পরিপত্র বাতিল করে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারির নির্দেশনার সংশ্লিষ্ট অংশ পুনর্বহাল করা হয়। ফলে নিয়োগের ক্ষমতা আবার পরিচালনা কমিটির হাতে ফিরেছে।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান পদেও নিয়োগের ক্ষমতা পরিচালনা কমিটির কাছ থেকে এনটিআরসিএর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। গত ১৮ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১১ হাজার ১৫১টি শূন্য পদের বিপরীতে ৫৩ হাজার ৬৯ জন আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১৪ হাজার ৯৪২ জন। তবে লিখিত পরীক্ষার প্রায় চার মাস পরও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি বলে জানিয়েছেন এনটিআরসিএর একজন কর্মকর্তা।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা পরিচালনা কমিটির কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অসম্পূর্ণ খসড়া প্রকাশের পর এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে এ পরিস্থিতিকে ‘অনভিপ্রেত’ বলে উল্লেখ করেন।
"এ ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অসম্পূর্ণ খসড়া প্রকাশের পর এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।"
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতীতে এসব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়মবহির্ভূতভাবে সাড়ে ৩ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হতো। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এই টাকা দিতে বাধ্য হতেন বলে গবেষণায় উঠে এসেছিল।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ আগস্ট, ১০ আগস্ট, ২১ জুলাই, ২৮ সেপ্টেম্বর, ১০ জানুয়ারি, ৩ লাখ, ১৫ লাখ, ১৮ এপ্রিল, ১১ হাজার ১৫১, ৫৩ হাজার ৬৯, ১৪ হাজার ৯৪২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!