📌 তিন মাস আগে সর্বোচ্চ আদালতের রায় মিললেও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তা পায়নি। ফলে ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্য প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন আটকে রয়েছে। মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী দ্রুত রায়ের কপি সংগ্রহের তাগিদ দিয়েছেন।
তিন মাস আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় এলেও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তা পায়নি। ফলে ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব হচ্ছে না। গত ২ জুন আপিল বিভাগের রায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পথ সুগম হলেও রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি অধিদপ্তরের হাতে না পৌঁছানোয় পুরো প্রক্রিয়াটি থমকে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সর্বোচ্চ আদালতের রায় প্রকাশের তিন মাস পরও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তা পায়নি
- 📌 ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলেও পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি সম্ভব নয়
- 📌 মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী দ্রুত রায়ের কপি সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছেন
- 📌 পদোন্নতি পেলে সহকারী শিক্ষকের আরও ৩৮ হাজার ৪৩৩টি পদ খালি হবে
📰 বিস্তারিত
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলেও তিন মাস আগে সর্বোচ্চ আদালতের রায় পাওয়ার পরও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তা হাতে পায়নি। ফলে পদোন্নতির পুরো প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে রয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পথ উন্মুক্ত হলেও প্রত্যয়িত অনুলিপি ছাড়া কোনো সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব নয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানিয়েছেন, আদালতের রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পদোন্নতির প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে হবে। অধিদপ্তর ইতিমধ্যে রায়ের কপির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। তবে রায় প্রকাশের তিন মাস পরও তা অধিদপ্তরের হাতে আসেনি। ফলে পদোন্নতির পরবর্তী ধাপে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
বর্তমানে দেশে মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৫ হাজার ৬২০টি। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ২৩৫টি বিদ্যালয়েই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। দীর্ঘদিন ধরে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তাঁদের পদোন্নতি হচ্ছে না। ফলে তাঁরা প্রধান শিক্ষকের আর্থিক সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।
আদালতের রায়ের পর শিক্ষকদের মধ্যে দ্রুত পদোন্নতি পাওয়ার আশা জেগেছিল। কিন্তু রায়ের কপি না পাওয়ায় সেই আশা আবারও অনিশ্চয়তায় পরিণত হয়েছে। অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে পদোন্নতির প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় জ্যেষ্ঠতার তালিকা তৈরিতেও জটিলতা দেখা দিয়েছে। অনেক শিক্ষকের চাকরির তথ্য পরিবর্তন হওয়ায় নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
"পদোন্নতির পুরো প্রক্রিয়াটি আদালতের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও রায় অনুযায়ী পরিচালনা করতে হবে। অধিদপ্তর থেকে ইতিমধ্যে আদালতের রায়ের কপির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানানো হয়েছে। রায় ঘোষণার তিন মাস পরও সেই কপি এখনো অধিদপ্তরের হাতে এসে পৌঁছায়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ হাজার ২৩৫
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ হাজার ৬২০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!