📌 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন, প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে ১২ মাসে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ থিম যুক্ত করা হবে। নিরাপত্তা, জীবনদক্ষতা ও বাস্তব জ্ঞান বাড়ানোর লক্ষ্যে এই সংস্কার করা হচ্ছে
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জীবনদক্ষতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে ১২ মাসে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ থিম যুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আজ ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘সেফগার্ডিং লিডারশিপ সামিট’-এ এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীরা শুধু বইয়ের জ্ঞানই অর্জন করবে না, বরং বাস্তব জীবনের দক্ষতা যেমন নিরাপত্তা, দায়িত্বশীলতা ও পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষমতা শিখবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১২ মাসে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ থিম** যুক্ত হবে প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে, প্রতিটি মাসে একটি থিমকে কেন্দ্র করে পাঠ্যক্রম গঠিত হবে
- 📌 **অগ্নিনিরাপত্তা, সড়ক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা** সহ শিশুদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলো থিম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে
- 📌 **প্রতিটি মাসের পাঠে থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ** উদাহরণ, প্রশ্ন ও আলোচনা যুক্ত করা হবে
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন** অনুযায়ী নিরাপদ ও কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সংস্কার
- 📌 **শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা** নিশ্চিত করতে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করছে
📰 বিস্তারিত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আজ ‘সেফগার্ডিং লিডারশিপ সামিট’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “আমরা চাই প্রাথমিকের একজন শিক্ষার্থী শুধু বইয়ের জ্ঞান অর্জন করবে না; বরং কীভাবে নিরাপদ থাকতে হয়, কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে জীবন পরিচালনা করতে হয় ও বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে সামলাতে হয়, সেসব বাস্তব জীবনদক্ষতাও শিখবে।” তিনি উল্লেখ করেন, নতুন শিক্ষাক্রম সংস্কারের কাজ চলছে, যেখানে প্রতিটি মাসে একটি নির্দিষ্ট থিমকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো মাসে যদি অগ্নিনিরাপত্তা থিম হিসেবে নির্ধারিত হয়, তাহলে গণিত, ভাষা ও অন্যান্য বিষয়ের পাঠেও অগ্নিনিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট উদাহরণ ও আলোচনা যুক্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন অনুযায়ী এমন একটি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে, যেখানে প্রতিটি শিশু নিরাপদ পরিবেশে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবে এবং শ্রেণিকক্ষে কার্যকরভাবে শিখবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তার পাশাপাশি জীবনদক্ষতা শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, দেশের সব ধরনের প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম নিরাপত্তা ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে সরকার নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে।
সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্ট্রংগার টুগেদার, সেফার টুমরো—কিপিং চিলড্রেন সেফ ইন বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের কান্ট্রি লিড সারওয়াত রেজা বলেন, বিদ্যালয়ের উৎকর্ষের ধারণাকে একাডেমিক ফলাফলের বাইরে নিয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি। হেইলিবারি ভালুকা ফাউন্ডিং হেডমাস্টার সাইমন ও’ গ্রেডি তাঁর বক্তব্যে শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিকর শৃঙ্খলাবিধান, মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের হার কমে যাওয়া এবং কর্তৃত্বকে প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতার মতো বিষয় উঠে আসে বলে উল্লেখ করেন।
"আমরা চাই প্রাথমিকের একজন শিক্ষার্থী শুধু বইয়ের জ্ঞান অর্জন করবে না; বরং কীভাবে নিরাপদ থাকতে হয়, কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে জীবন পরিচালনা করতে হয় ও বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে সামলাতে হয়, সেসব বাস্তব জীবনদক্ষতাও শিখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ মাসে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ থিম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!