📌 গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইপিইএমআইএসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকৌশলী, চিকিৎসক, এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রিধারীসহ ৩০টি পেশা থেকে উচ্চশিক্ষিত শিক্ষকতা করছেন। এদের মধ্যে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৪ জন। নারী শিক্ষক পুরুষের দ্বিগুণ, মোট ৬৬.৮৮ শতাংশ শিক্ষক নারী
গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইপিইএমআইএসের সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষিত শিক্ষকদের সংখ্যা ও তাদের পেশাগত পটভূমি সম্পর্কে। প্রতিষ্ঠানটি ইউনিসেফ ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। তথ্য অনুযায়ী, প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞান, আইন, কম্পিউটার বিজ্ঞানসহ ৩০টি পেশা থেকে উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। এদের মধ্যে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৪ জন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০টি পেশা থেকে উচ্চশিক্ষিত শিক্ষকতা করছেন, যার মধ্যে প্রকৌশলী, চিকিৎসক, এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রিধারীসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি
- 📌 মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৪ জন, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্নাতক (পাস) শিক্ষকের সংখ্যা ৯৯ হাজার ৯৭৭ জন
- 📌 চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল, কৃষি, আইন, কম্পিউটার বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের মধ্যে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ১ হাজার ৬১৭ জন, এমবিএ ৭ হাজার ৭১৯ জন, এমফিল/পিএইচডি ৪২ জন
- 📌 ধর্মীয় শিক্ষা ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের মধ্যে কামিল পাস ৫ হাজার ৭৪১ জন, ফাজিল পাস ১ হাজার ৮৯৭ জন
- 📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৭০ জন, যার মধ্যে নারী শিক্ষকের সংখ্যা ৬৬.৮৮ শতাংশ (২ লাখ ৪৮ হাজার ৮০৫ জন)
- 📌 ৩৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সী শিক্ষকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৯৬ জন
📰 বিস্তারিত
আইপিইএমআইএসের সর্বশেষ (২৮ অক্টোবর) তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিস্তারিত পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা পেশা হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষকতা গ্রহণ করছেন। প্রকৌশল, কৃষি, আইন, কম্পিউটার বিজ্ঞানসহ এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাও এ পেশায় যুক্ত আছেন।
ধর্মীয় শিক্ষা ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের মধ্যে কামিল পাস ৫৭৪১ জন, ফাজিল পাস ১৮৯৭ জন, আলিম পাস ১২৩৮ জন এবং দাখিল পাস শিক্ষক রয়েছেন ৪১২ জন। প্রকৌশল, কৃষি, আইন ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়ুয়ারাও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং করা শিক্ষক ১ হাজার ৬১৭ জন, বিএসসি ইন অ্যাগ্রিকালচারের ২৫৮ জন এবং ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচারের ৪৯ জন শিক্ষক আছেন। আইন বিষয়ে এলএলএম পড়ুয়া ৩৮৬ জন ও এলএলবির ৩১৬ জন শিক্ষকতা করছেন।
বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ৩৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সী শিক্ষকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৯৬ জন। ৪৬ থেকে ৫৫ বছর বয়সী শিক্ষকের সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৭৮২ জন। ২৬ থেকে ৩৫ বছর বয়সী শিক্ষকের সংখ্যা ৮২ হাজার ৮৬০ জন এবং ৫৬ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষকের সংখ্যা ২৪ হাজার ৫৮৭ জন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে নারী শিক্ষকের সংখ্যা ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮০৫ জন, যা পুরুষ শিক্ষকের তুলনায় দ্বিগুণ। শতকরা হিসাবে নারী শিক্ষক ৬৬.৮৮ শতাংশ আর পুরুষ শিক্ষক ৩৩.৯৮ শতাংশ।
"প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরা পেশা হিসেবে শিক্ষকতা গ্রহণ করছেন। এতে শিক্ষার মান উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সারাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইপিইএমআইএসের গবেষণা দল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০টি পেশা, ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৪ জন মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষক, ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮০৫ জন নারী শিক্ষক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!