📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রায় এক দশক ধরে প্রধান শিক্ষক ও কর্মকর্তা পদে ব্যাপক শূন্যতা বিরাজ করছে। ফলে তদারকি ও প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদেও রয়েছে প্রকট সংকট
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রায় এক দশক ধরে প্রধান শিক্ষক ও কর্মকর্তা পদে ব্যাপক শূন্যতা বিরাজ করছে। ফলে জেলার ৪০৯টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদেও রয়েছে প্রকট সংকট। জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলোতেও লোকবলের অভাব প্রকট।
🔴 প্রধান তথ্যসমূহ
- 📌 জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে আশুগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে।
- 📌 জেলায় প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত ১ হাজার ১০৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৬৯৬ জন। ফলে ৪০৯ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই।
- 📌 সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে জেলায় ৫৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৯ জন। অর্থাৎ ৩৬টি পদ শূন্য রয়েছে।
- 📌 সদর উপজেলায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে ১০টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৫ জন।
- 📌 নবীনগর উপজেলায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে ১১টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১ জন।
- 📌 জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলোতে উচ্চমান সহকারী পদে ৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২ জন।
- 📌 অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে জেলায় ১৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১ জন।
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রায় এক দশক ধরে প্রধান শিক্ষক ও কর্মকর্তা পদে ব্যাপক শূন্যতা বিরাজ করছে। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে আশুগঞ্জ উপজেলায়। এছাড়া সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদেও রয়েছে প্রকট সংকট। জেলায় প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত ১ হাজার ১০৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৬৯৬ জন। ফলে জেলার ৪০৯টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।
সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে জেলায় মোট ৫৫টি পদ থাকলেও কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৯ জন। অর্থাৎ ৩৬টি পদ শূন্য রয়েছে। সদর উপজেলায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদে ১০টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৫ জন। নবীনগর উপজেলায় ১১টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১ জন। কসবা উপজেলায় ৮টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ২ জন। সরাইল উপজেলায় ৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৩ জন। বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ২ জন। আখাউড়া উপজেলায় ২টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১ জন। নাসিরনগর উপজেলায় ৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ২ জন। বিজয়নগর উপজেলায় ২টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১ জন।
জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলোতেও লোকবলের প্রকট সংকট রয়েছে। উচ্চমান সহকারী পদে ৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২ জন। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে জেলায় ১৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১ জন। সদর ও নবীনগর উপজেলায় এ পদে কোনো কর্মী নেই।
"শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকায় মনিটরিং দুর্বলতা তো আছেই। আর এসব পদ এক-দেড় বছর নয়, দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। প্রায় ১০ বছর হবে।" — মো. শামসুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শামসুর রহমান (জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য ৪০৯টি, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পদ শূন্য ৩৬টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!