📌 বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব দ্য পিপলের ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পেয়েছেন একজন শিক্ষার্থী। আইইএলটিএস স্কোর ৬ থাকায় তিনি ৭০ শতাংশ স্কলারশিপ পেয়েছেন এবং ব্যবসায় প্রশাসন প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন
বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব দ্য পিপলের ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পেয়েছেন একজন শিক্ষার্থী। ব্যক্তিগত কারণে পড়াশোনায় বিরতি থাকলেও পরবর্তী সময়ে তিনি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন। ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাদেনায় অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পড়াশোনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউনিভার্সিটি অব দ্য পিপল বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দেয়
- 📌 আইইএলটিএস স্কোর ৬ থাকায় শিক্ষার্থীটি ৭০ শতাংশ স্কলারশিপ পেয়েছেন
- 📌 ব্যবসায় প্রশাসন প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ মিলেছে
- 📌 অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থায় নিজস্ব দায়িত্ব পালন এবং ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সমন্বয় করতে হয়েছে
- 📌 প্রথম টার্মে একটি কোর্সে ৯২ এবং আরেকটিতে ৮০ পেয়েছেন
📰 বিস্তারিত
ব্যক্তিগত কারণে পড়াশোনায় বিরতি থাকলেও পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব দ্য পিপলে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন। ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাদেনায় অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পড়াশোনা করেন। শিক্ষার্থীটি জানান, তিনি এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজছিলেন যেখানে বাংলাদেশ থেকে থেকেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব এবং খরচটাও তাঁর জন্য সাধ্যের মধ্যে থাকবে।
তিনি প্রয়োজনীয় একাডেমিক কাগজপত্র, আইইএলটিএস স্কোর এবং অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিয়ে আবেদন করেন। তাঁর আইইএলটিএস স্কোর ছিল ৬। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সংগঠন ও নেতৃত্ববিষয়ক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, যা তাঁকে কমিউনিকেশন, দলগত কাজ ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দক্ষ হতে সহায়তা করেছে। অভিজ্ঞতার সনদও তিনি জমা দিয়েছেন।
তাঁর কাছে ইউনিভার্সিটি অব দ্য পিপলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো বাংলাদেশে থেকেই আন্তর্জাতিক একাডেমিক পরিবেশের মধ্যে পড়াশোনা করতে পারা। একই সঙ্গে তিনি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ক্লাস সূচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা তাঁর জন্য কঠিন হতে পারত। তবে অনলাইন ক্লাস এবং ফ্লেক্সিবল পদ্ধতির কারণে তিনি নিজের পেশাদার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে পারছেন।
তিনি আরও জানান, স্কলারশিপ পাওয়ায় তাঁর পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়া অনেক সহজ হয়েছে। ভর্তি হওয়ার সময় তিনি স্কলারশিপ বা অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য আবেদন করেন। পরে তাঁর আবেদন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বিবেচনা করে ৭০ শতাংশ স্কলারশিপ দেওয়া হয়।
"এখান থেকে ভালোভাবে পাস করতে পারলে বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা বা ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুযোগও রয়েছে। এমনকি ভালো একাডেমিক প্রোফাইল ও নির্দিষ্ট পেশাদার অভিজ্ঞতা থাকলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কোম্পানি বা সংস্থায় চাকরির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ স্কলারশিপ, আইইএলটিএস স্কোর ৬, প্রথম টার্মে ৯২ ও ৮০ মার্কস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!