📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে উৎপাদনশীল খাত পুনরুদ্ধারে ৪১ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন। ১৭ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে উদ্যোগ
ঢাকা, ২০ আগস্ট ২০২৬: উৎপাদনশীল খাত পুনরুদ্ধার ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ৪১ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বাস্তবায়নে ১৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে উৎপাদনশীল খাত পুনরুদ্ধারে ৪১ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন
- 📌 ১৭টি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে উদ্যোগ
- 📌 তহবিলের অর্থ পাঁচটি খাতে বরাদ্দ: বন্ধ শিল্প পুনরুদ্ধার, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অর্থায়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি বৈচিত্র্য ও উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি জোরদার
- 📌 তহবিলের মধ্যে বন্ধ শিল্প পুনরুদ্ধারে ২০ হাজার কোটি টাকা, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ও কৃষিতে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের অংশ হিসেবে তহবিল গঠন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে উৎপাদনশীল খাত পুনরুদ্ধার ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে ৪১ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ১৭টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, তহবিলটির অর্থ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যবহৃত হবে। এর মধ্যে বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত পুনরুদ্ধারে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় চালু করতে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধনের চাহিদা মেটাতে ৫ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে।
এছাড়া রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে ৩ হাজার কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন করা হবে। রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে এবং নতুন বাজার তৈরিতে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। কৃষি ও পল্লী খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই অর্থ দেওয়া হবে।
"ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য থেকে গঠিত ৪১ হাজার কোটি টাকার তহবিল উৎপাদনশীল ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রবাহিত করার মাধ্যমে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পথ তৈরি হবে।" — বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. কবির আহমেদ (বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ হাজার কোটি টাকা (তহবিলের পরিমাণ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭টি (চুক্তিবদ্ধ ব্যাংকের সংখ্যা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ আগস্ট ২০২৬ (চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!