📌 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসি নীতিমালা লঙ্ঘন করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে সাবেক উপাচার্যসহ পাঁচজনকে দুর্নীতি দমন কমিশন তলব করেছে। আগামী ১৯ আগস্ট তাঁদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ইউজিসি প্রণীত শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে সাবেক উপাচার্যসহ পাঁচজন শিক্ষক-কর্মকর্তাকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তলব করা হয়েছে। আগামী ১৯ আগস্ট তাঁদের দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তার সামনে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউজিসি নিয়োগ নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে নোবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইলসহ পাঁচজনকে দুদকে তলব
- 📌 তলবকৃত ব্যক্তিরা হলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, মো. জামসেদুল ইসলাম, শ্রাবন্তী দত্ত ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী
- 📌 দুদকের চিঠি অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে অভিযোগ সম্পর্কে কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে
- 📌 দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. জাহেদ আলম স্বাক্ষরিত চিঠি গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়
📰 বিস্তারিত
নোবিপ্রবিতে ইউজিসি নিয়োগ নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. জাহেদ আলম।
তলবকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইল, সাবেক সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জামসেদুল ইসলাম, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্রাবন্তী দত্ত এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী। দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত তারিখে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ উপস্থিত হয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার কাছে বক্তব্য প্রদান করতে হবে।
নোবিপ্রবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চিঠির বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অন্যদিকে দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ জানান, নিয়োগ নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্যই তাঁদের তলব করা হয়েছে।
"নোবিপ্রবিতে নিয়োগ নীতিমালা অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য প্রদানে ব্যর্থ হলে অভিযোগ সম্পর্কে কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মুহাম্মদ ইসমাইল, অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, মো. জামসেদুল ইসলাম, শ্রাবন্তী দত্ত, মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!