📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আগামী শিক্ষাবর্ষে নতুন চারটি বই অনুমোদিত: চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বিষয়বস্তু কী?

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আ ন ম এহছানুল হক মিলন আ ন ম এহছানুল হক মিলন
আগামী শিক্ষাবর্ষে নতুন চারটি বই অনুমোদিত: চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বিষয়বস্তু কী?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আগামী শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি নতুন বই অনুমোদিত হয়েছে। নতুন বইগুলোতে কারিগরি শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও আনন্দময় শিক্ষা বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বইগুলো বাধ্যতামূলক হলেও বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

আগামী শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য চারটি নতুন বই অনুমোদন করা হয়েছে। এই বইগুলোতে কারিগরি শিক্ষা, বাংলাদেশের সংস্কৃতি, খেলাধুলা এবং আনন্দময় শিক্ষা বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এনসিসিসি সভায় এই বইগুলো অনুমোদিত হয়েছে, তবে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন সাপেক্ষে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চতুর্থ শ্রেণির নতুন বই দুটি: ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘খেলাধুলা’
  • 📌 ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন বই দুটি: ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’
  • 📌 বইগুলো বাধ্যতামূলক, তবে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না; ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে
  • 📌 নতুন বইগুলোর মোট সংখ্যা ১৫ লাখেরও বেশি
  • 📌 সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা
  • 📌 ষষ্ঠ শ্রেণির ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বইয়ে মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বইয়ে শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরি করার লক্ষ্য
  • 📌 ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ বইয়ে জাতীয়, ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত
  • 📌 ‘খেলাধুলা’ বইয়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি, দাবা, অ্যাথলেটিকস, সাঁতার ও মার্শাল আর্টের বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত

📰 বিস্তারিত

রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় এই বই চারটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এনসিসিসি দুটি সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় — একটি প্রাথমিকের জন্য (চতুর্থ শ্রেণির বই) এবং অন্যটি মাধ্যমিকের জন্য (ষষ্ঠ শ্রেণির বই)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তবে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন সাপেক্ষে।

এনসিটিবির একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেছেন, যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী আগামীকালের মধ্যে পরিমার্জন করে বইগুলো চূড়ান্ত করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব আবদুল খালেক, প্রধান তথ্য কমিশনার নাহরিন ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব জেসমিন নাহার প্রমুখ।

এনসিটিবির সূত্রমতে, দুই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বই চারটি বাধ্যতামূলক হবে। তবে এসব বিষয়ে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না; ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে। নতুন বইগুলোর মোট সংখ্যা ১৫ লাখেরও বেশি। অনুমোদনের দিনেই বইগুলো ছাপার কাজ পাওয়া মুদ্রণকারীদের নোটিশ অব অ্যাওয়ার্ড (নোয়া) দেওয়া হয়েছে।

ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন বই ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’র অন্যতম লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে কারিগরি শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরি করা। এই বইয়ে কারিগরি শিক্ষা পরিচিতি, চারপাশের প্রযুক্তি ও নতুন বিশ্ব, যারা বানায় তারাই পৃথিবী বদলায়, সমস্যা ও সমাধান করি, ছোট উদ্যোগ বড় সম্ভাবনা, ভবিষ্যৎ পেশা ও দক্ষতা, সবুজ প্রযুক্তি ও টেকসই জীবনযাপন এবং শব্দকোষ বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ষষ্ঠ শ্রেণির আরেক নতুন বই ‘আনন্দময় শিক্ষা’তে মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বইয়ে ‘আমি ও আমরা’, ‘আমার পুষ্টি ও স্বাস্থ্যগত জীবনযাপন’, ‘প্রযুক্তির সঙ্গে খেলি’, ‘নতুন কিছু করি’, ‘পরিষ্কার থাকি পরিচ্ছন্ন রাখি’, ‘উদ্যাপনের দিনগুলো ও আনন্দে থাকি’, ‘আনন্দে রাখি’ বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চতুর্থ শ্রেণির নতুন বই ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’তে সংস্কৃতির ধারণা, ব্যক্তিজীবনে সংস্কৃতির প্রভাব, জাতীয়, ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারি এবং সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। আর ‘খেলাধুলা’ বইয়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি, দাবা, অ্যাথলেটিকস, সাঁতার ও মার্শাল আর্টের বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

"বইগুলোর মোট সংখ্যা ১৫ লাখেরও বেশি। অনুমোদনের দিনেই বইগুলো ছাপার কাজ পাওয়া মুদ্রণকারীদের নোটিশ অব অ্যাওয়ার্ড (নোয়া) দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এনসিটিবি কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ লাখ (বইয়ের মোট সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖