📌 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ডেঙ্গু প্রতিরোধে গবেষণা ও পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান খোঁজার আহ্বান জানান। সভায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিজ্ঞানীদের মাঠপর্যায়ে কাজ করতে হবে। টেমাসিক ফাউন্ডেশন ও এডিবির সহযোগিতায় প্রকল্প শুরু হবে
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু আলোচনা ও সভা-সেমিনারে সীমাবদ্ধ না হয়ে গবেষণা ও পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে দ্রুত কার্যকর সমাধান খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ঢাকাসহ জনবহুল এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই অবিলম্বে মাঠপর্যায়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ডেঙ্গু মোকাবিলায় গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগের আহ্বান জানান
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিজ্ঞানীদের নিয়ে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান খোঁজার পরিকল্পনা
- 📌 টেমাসিক ফাউন্ডেশন ও এডিবির অনুদানে ডেঙ্গু ও মশা নিয়ন্ত্রণে পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু হবে
- 📌 সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ফিলিপ অং, যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোবায়োলজি বিশেষজ্ঞ ড. ঝিয়ং শি ও সিমবায়োসিয়া এসইএ-এর ডেভিড কুয়েক ইয়ং কি সভায় অংশগ্রহণ করেন
- 📌 ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, আইইডিসিআরসহ বিশেষজ্ঞরা প্রকল্পে জড়িত থাকবেন
📰 বিস্তারিত
রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় বিজ্ঞানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু বর্তমানে দেশের জন্য একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকার মতো জনবহুল এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে শুধু আলোচনা ও সভা-সেমিনারে সীমাবদ্ধ থাকা নয়, বরং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত সমাধান খোঁজার প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বিজ্ঞানী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে বাস্তবভিত্তিক পরীক্ষামূলক প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান খোঁজা সম্ভব। তিনি বিজ্ঞানীদেরকে মাঠপর্যায়ে সরাসরি কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যৌথ সহযোগিতা ও সমন্বয় বৃদ্ধির প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একক প্রচেষ্টার পরিবর্তে সম্মিলিতভাবে কাজ করা জরুরি। সঠিক পদ্ধতি ও কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে যৌথ উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গৃহীত উদ্যোগ হতে হবে সাশ্রয়ী ও বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর। প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের আবহাওয়া, ভৌগোলিক অবস্থান ও সামাজিক কল্যাণের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।
সভায় জানানো হয়, ডেঙ্গু ও মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর গবেষণার লক্ষ্যে টেমাসিক ফাউন্ডেশন এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অনুদানে একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করবে। প্রকল্পে দেশীয় গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করা হবে। আশা করা হয়, প্রকল্পটিতে বাংলাদেশের নিজস্ব প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ জ্ঞান যুক্ত করা গেলে উদ্যোগটি আরও ফলপ্রসূ হবে।
"ডেঙ্গু মোকাবিলায় গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে। এ জনস্বাস্থ্য সংকটের দ্রুত ও কার্যকর সমাধানে বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব মো. আনোয়ার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!