📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় এক কলেজে শূন্য পাস: শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ত্যাগ করে গার্মেন্টস চলে যায়

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় এক কলেজে শূন্য পাস: শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ত্যাগ করে গার্মেন্টস চলে যায়

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গোপালপুর মডেল কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। কলেজের অধ্যক্ষ বলেছেন, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে না পেরে গার্মেন্টস চলে যায়। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় একটি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, গোপালপুর মডেল কলেজের কোনো পরীক্ষার্থী পাসের তালিকায় নাম আসেনি। এছাড়াও, উপজেলার ৮টি কলেজের মধ্যে আরেকটি কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল বারী এই তথ্যটি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গোপালপুর মডেল কলেজ এইচএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাসের রেকর্ড গড়েছে — কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।
  • 📌 কলেজের ১ জন শিক্ষার্থী ১টি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার পরও ফেল করেছে — গত বছরও ফেল করেছিল।
  • 📌 কলেজের অধ্যক্ষ সুজিত কান্তি কর বলেছেন, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী না হওয়ায় গার্মেন্টস চলে যায়।
  • 📌 কলেজ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের কারণে পাঠদান ব্যাহত হয়।
  • 📌 বর্তমানে কলেজে ৩ জন শিক্ষক ও ২ জন কর্মচারী রয়েছে।
  • 📌 উপজেলার গড় পাসের হার ৪৯.৫৫% — জেলার গড় ৪৩.৯১% থেকে বেশি।
  • 📌 শিক্ষা কর্মকর্তারা বলেছেন, কলেজের প্রশাসনিক অবস্থা ও শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা নিয়ে তদন্ত করা হবে।

📰 বিস্তারিত

গোপালপুর মডেল কলেজের অধ্যক্ষ সুজিত কান্তি কর বলেছেন, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী না হওয়ায় কলেজের পাসের হার শূন্য হয়েছে। তিনি জানান, অনেক শিক্ষার্থী গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি পেয়ে কলেজ ত্যাগ করে। এছাড়াও, কলেজ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের কারণে পাঠদান মান কমে গেছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কলেজে তিনি সহ মোট ৩ জন শিক্ষক এবং ২ জন কর্মচারী রয়েছেন।

শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল বারী জানান, গোপালপুর মডেল কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী কলেজের প্রশাসনিক অবস্থা ও শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা নিয়ে তদন্ত করা হবে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক অবস্থা, পাঠদানের পরিবেশ ও শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা খতিয়ে দেখা হবে।

সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫২.১২%। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫১.৪৮%। কেন্দুয়া উপজেলার গড় পাসের হার ৪৯.৫৫% — যা জেলার গড় ৪৩.৯১% থেকে কিছুটা বেশি।

"শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী না। অনেকেই আবার গার্মেন্টসে চলে গেছে। এদিকে কলেজ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে কলেজ চালাতে হয়। এতে পড়াশোনা ব্যাহত হয়।"

— অধ্যক্ষ সুজিত কান্তি কর

"গোপালপুর মডেল কলেজটির পাসের হার শূন্য রয়েছে এবং সেই কলেজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

— উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল বারী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা, গোপালপুর ইউনিয়ন, গোপালপুর মডেল কলেজ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যক্ষ সুজিত কান্তি কর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল বারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি কলেজ, ১টি শূন্য পাসের কলেজ, ১ জন শিক্ষার্থী, ১টি বিষয়ে ফেল, ৩ জন শিক্ষক, ২ জন কর্মচারী, ৪৯.৫৫% পাসের হার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖