📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেত্রকোণা: এইচএসসি পরীক্ষায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস না, পাস হার ৪৩.৯১%

নেত্রকোণা: এইচএসসি পরীক্ষায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস না, পাস হার ৪৩.৯১%

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডেইলি বাংলাদেশ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোণা জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। পাসের হার ৪৩.৯১% হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় কমেছে।

নেত্রকোণা জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি বিরল ঘটনা ঘটেছে। জেলার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এই ঘটনাটি জেলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পূর্বধলা উপজেলার তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি — এ্যাম্বিশন মডেল কলেজ (১৭ জন পরীক্ষার্থী), জুবাইদা জহুর উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ (৭ জন), খালিশাপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৪ জন)
  • 📌 কলমাকান্দা ও কেন্দুয়া উপজেলার একটি করে প্রতিষ্ঠান থেকে পাসের হার শূন্য — কলমাকান্দা মহিলা কলেজ (৩ জন) ও গোপালপুর মডেল কলেজ (১ জন)
  • 📌 জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৩ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী, পাস ৫ হাজার ৮৭৩ জন, জিপিএ-৫ পায় ৭০ জন
  • 📌 পাসের হার ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ — গত বছরের ৪৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে কমেছে ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ পয়েন্ট
  • 📌 জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা কমেছে ৩৯ জন — গত বছরের ১০৯ জন থেকে এবার ৭০ জন

📰 বিস্তারিত

নেত্রকোণা জেলার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পূর্বধলা উপজেলার এ্যাম্বিশন মডেল কলেজ থেকে ১৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে মানবিক বিভাগের ১৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী ছিল। তবে কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। একই উপজেলার জুবাইদা জহুর উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে সাতজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জন অকৃতকার্য হয়েছে। অন্য একজন পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন। গত বছরও এই প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিনজনের কেউ পাস করতে পারেনি।

পূর্বধলার খালিশাপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগের চারজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেনি। কলমাকান্দা মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিনজন শিক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছে। অন্যদিকে কেন্দুয়ার গোপালপুর মডেল কলেজ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, কিন্তু সে-ও পাস করতে পারেনি। গত বছরও এই প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ জনের কেউ উত্তীর্ণ হয়নি।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর নেত্রকোণা জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৩ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৫ হাজার ৮৭৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৮ হাজার ৩৮ জন। জেলায় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় কমেছে। গত বছর জেলায় পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১০৯ জন। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩৯ জন।

"জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পূর্বধলার এ্যাম্বিশন মডেল কলেজ থেকে এবার ১৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেত্রকোণা জেলা (পূর্বধলা, কেন্দুয়া, কলমাকান্দা উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জুবাইদা জহুর উদ্দিন সরকার, শিক্ষার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন (এ্যাম্বিশন মডেল কলেজ), ৭ জন (জুবাইদা মহিলা কলেজ), ৪ জন (খালিশাপুর উচ্চ বিদ্যালয়), ৩ জন (কলমাকান্দা মহিলা কলেজ), ১ জন (গোপালপুর মডেল কলেজ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖