📌 গাইবান্ধা জেলার দুটি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া মাত্র তিন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে ৪৯টি প্রতিষ্ঠানেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি। শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে জানা গেছে
গাইবান্ধা জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় দুটি মহিলা কলেজের মোট তিন শিক্ষার্থী অংশ নেয়ার পরেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এই বছর মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি। এর মধ্যে গাইবান্ধার দুটি কলেজের নাম উল্লেখযোগ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ ও সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া মাত্র তিন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি
- 📌 ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে দুজন শিক্ষার্থী এবং জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থী অংশ নেন
- 📌 কলেজ দুটিতে মোট ১৫ জন শিক্ষক হলেও তাদের কেউ শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন না
- 📌 দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে এই বছর মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি
- 📌 শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে শিক্ষার পরিবেশ সম্পর্কে
📰 বিস্তারিত
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে। ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবার রহমান রশিদ জানান, এই বছর মানবিক বিভাগ থেকে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মাত্র দুজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের কেউই পাস করতে পারেননি। তিনি বলেন, কলেজটি ২০০০ সাল থেকে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত শুধু পাঠদানের অনুমোদন পাওয়া গেছে। শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান হয় না, ফলে ফলাফল খারাপ হয়েছে।
জুমারবাড়ী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা জানতে চায়, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এত কম কেন এবং শিক্ষার পরিবেশ কেমন।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এই বছর মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে গাইবান্ধার দুটি কলেজের নাম উল্লেখযোগ্য।
"এ বছর মানবিক বিভাগ থেকে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দুজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের কেউ পাস করেননি। ২০০০ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত শুধু পাঠদানের অনুমোদন পাওয়া গেছে। কলেজে ১৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। তবে তারা কেউ শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন না। এ কারণে ফলাফল ভালো করা সম্ভব হচ্ছে না।" — মাহবুবার রহমান রশিদ, ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেলা, পলাশবাড়ী উপজেলা (ফকিরহাট মহিলা কলেজ), সাঘাটা উপজেলা (জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুবার রহমান রশিদ (ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ), শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন পরীক্ষার্থী, ৪৯টি প্রতিষ্ঠান, ১৫ জন শিক্ষক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!