📌 ফ্রান্সে তৃতীয় সপ্তাহে হ্যালোইন উৎসবের সঙ্গে মিল রেখে বিক্ষোভের আশঙ্কায় ৭০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। প্যারিসের ৪০টি মেট্রোস্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং সরকারি কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও শিক্ষার অবনতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলনে নাগরিক স্বাধীনতার দাবিও জুড়ে পড়েছে
ফ্রান্সে হ্যালোইন উৎসবের সঙ্গে মিল রেখে তৃতীয় সপ্তাহে বিক্ষোভের আশঙ্কা জোরদার হয়েছে। দুই সপ্তাহ আগে ফ্রান্সজুড়ে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে আজ শনিবার দেশটির কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্যারিসের পূর্বাঞ্চলে হেলিকপ্টার ও সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে। রাজধানীতে ৪০টি মেট্রোস্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ট্রাম চলাচলেও বিঘ্ন ঘটতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সে হ্যালোইন উৎসবের সঙ্গে মিল রেখে তৃতীয় সপ্তাহে বিক্ষোভের আশঙ্কা জোরদার, ৭০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে
- 📌 প্যারিসের ৪০টি মেট্রোস্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ট্রাম চলাচলেও বিঘ্ন ঘটতে পারে
- 📌 জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বৈষম্য ও শিক্ষার অবনতি প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলনে ইয়েলো ভেস্ট কর্মী, শ্রমিক ও শিক্ষার্থীরা যোগ দিচ্ছেন
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ সতর্ক করে বলেছেন, মুখোশ পরে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া যাবে না
- 📌 ফ্রান্সের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত কনসেই দেতা বিক্ষোভকারীদের মধ্য প্যারিসে মিছিলের অনুমতি বাতিল করেছে
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর ছয় মাস বাকি থাকলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন কট্টর ডানপন্থী নেতা মেরিন লো পেন। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের এত কাছাকাছি সময়ে ফ্রান্সে এমন অস্থিরতা ‘স্বাভাবিক নয়’। ১৭ অক্টোবরের সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে গত সপ্তাহের মতো আজকেও প্রায় ৭০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি বিস্তৃত হয়েছে। এখন নাগরিক স্বাধীনতা ও বিক্ষোভের অধিকার রক্ষার দাবিও জানানো হচ্ছে। পুলিশের কঠোর অবস্থান এবং বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন গুরুতর আহত হওয়ার পর আন্দোলনের দাবি বিস্তৃত হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও তরুণদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখা গেছে। আজ জার্মানিতেও বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে।
ফ্রান্সের চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আলাঁ দি ক্রেসেনজো বলেছেন, ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। তিনি বলেছেন, ‘দোকানিরা শনিবারটা শেষ হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। হ্যালোইন পরিস্থিতি আরও জটিল করছে কারণ, মানুষ মুখোশ পরে বাইরে আসবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজের এক সহযোগী বলেছেন, দুই সপ্তাহ আগের সহিংসতার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওই সময় সংঘর্ষ, দোকানপাটে লুটপাট ও সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগের দৃশ্য বিশ্বজুড়ে প্রচারিত হয়েছিল।
"পরিস্থিতি নির্বিঘ্নে শেষ হবে, এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নুনেজ সতর্ক করে বলেছেন, জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের ঝুঁকি ‘খুব বেশি’। বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হলেও শহরের কেন্দ্রস্থলে তা করতে দেওয়া হবে না। প্যারিসের একটি দোকানের সামনে পাটাতনে লেখা হয়েছে, ‘এই কাঠের আড়ালে কোনো ক্ষমতা বা শত্রু নেই। আছে শুধু একটি পরিবার ও তাদের পরিশ্রম।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স (প্যারিস, জার্মানি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ, আলাঁ দি ক্রেসেনজো, পুলিশের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী, ৪০টি মেট্রোস্টেশন, ১৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!