📌 নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় শিক্ষকদের আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সরবরাহ করা খাবার খেয়ে শতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। উপজেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় শিক্ষকদের আয়োজিত শিক্ষা মান উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় সরবরাহ করা খাবার খেয়ে শতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গত শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত সভায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মধ্যে অসুস্থতার ঘটনা ঘটে। উপজেলা হাসপাতাল ও বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তাদেরকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের সভায় উপস্থিত ১১০০ শিক্ষকের মধ্যে শতাধিক অসুস্থ
- 📌 আগ্রান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ জন, কারবালা দাখিল মাদ্রাসার ১১ জন, চান্দাই উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ জন ও মাড়িয়া মাদ্রাসার ২ জন শিক্ষক অসুস্থ
- 📌 খাবার খেয়ে বমি বমি ভাব, পাতলা পায়খানা ও পেটব্যথা দেখা দিয়েছে শিক্ষকদের
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে হোটেলের খাবারের মান পরীক্ষা করানোর কথা বলেছেন
- 📌 সভায় শিক্ষকপ্রতি ৩০০ টাকা খরচ করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মান উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারী ১১০০ শিক্ষকের মধ্যে শতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ। উপজেলার ৪৪টি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
অসুস্থ শিক্ষকদের মধ্যে আগ্রান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ জন, কারবালা দাখিল মাদ্রাসার ১১ জন, চান্দাই উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ জন ও মাড়িয়া মাদ্রাসার ২ জন শিক্ষক রয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোস্তম আলী হেলালী, জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাড. আব্দুল কাদের মিয়া ও অ্যাড. শরীফুল হক মুক্তা, বড়াইগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।
অসুস্থ শিক্ষকদের মধ্যে একজন আগ্রান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিম রেজা বলেছেন, খাবার খেয়ে ১০ জন সহকর্মী অসুস্থ হয়ে বাড়িতেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আক্তার জানান, অসুস্থ হওয়ার খবর শুনেছেন। তিনি বলেন, “এই অনুষ্ঠান শিক্ষকদের আয়োজনে। কোথা থেকে কীভাবে খাবার সরবরাহ করেছে, তাঁরাই বলতে পারবে।”
বড়াইগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেছেন, উপজেলা আহম্মেদপুর বনফুল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার নিয়ে এসেছে। তিনি অসুস্থতার কারণ সম্পর্কে স্পষ্টতা না থাকায় বলেছেন, “কীভাবে অসুস্থ হলো, বোঝা যাচ্ছে না।” হোটেলের মালিক মিন্টু মিয়া বলেন, “কী কারণে হয়েছে, বলতে পারব না। তার খাবার খেয়ে সবাই অসুস্থ হওয়ার কথা। কেউ হলো, কেউ হলো না—কেমন কথা। ইউএনও অফিসের ৪০ জন খেয়েছে, তাঁরা কেউ অসুস্থ হলো না।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেছেন, “হোটেলের মান খারাপ হওয়ার কারণে এমনটা হতে পারে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে হোটেলের খাবারের মান খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
"এই খাবার খেয়ে ১০ জন সহকর্মী অসুস্থ হয়ে বাড়িতেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছেন"
"কোথা থেকে কীভাবে খাবার সরবরাহ করেছে, তাঁরাই বলতে পারবে"
"হোটেলের মান খারাপ হওয়ার কারণে এমনটা হতে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদ চত্বর, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল আজিজ, লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, সেলিম রেজা, সেলিম আক্তার, আসাদুজ্জামান আসাদ, মিন্টু মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১০০ শিক্ষক উপস্থিত, ১০+১১+৮+২=৩১ শিক্ষক অসুস্থ, ৩০০ টাকা শিক্ষকপ্রতি খরচ, ৪৪টি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!