📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১০৩তম সভায় কলেজের শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। একই সঙ্গে স্নাতক পর্যায়ে নতুন কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাপ্লায়েড আইসিটি ও ফাংশনাল ইংরেজি কোর্স চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে শিক্ষক সংকট দূর করতে খণ্ডকালীন ‘শিক্ষক পুল’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গাজীপুরে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ১০৩তম সভায় বিষয়ভিত্তিক এই পুল গঠনের নীতিমালা অনুমোদিত হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় অবসরপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের এই পুলে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গঠনের অনুমোদন
- 📌 অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত হবে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক পুল
- 📌 স্নাতক (সম্মান) কোর্সের ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ
- 📌 স্নাতক (পাস) ও স্নাতক (সম্মান) প্রোগ্রামে অ্যাপ্লায়েড আইসিটি ও ফাংশনাল ইংরেজি কোর্স অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন
- 📌 গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং ও ওয়েব ডিজাইন বিষয়গুলো নতুন কারিকুলামে যুক্ত
📰 বিস্তারিত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ১০৩তম সভায় কলেজগুলোর শিক্ষক সংকট সমাধানে খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই পুলে অবসরপ্রাপ্ত যোগ্য শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়। সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যাতে দক্ষতা নিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’
একই সঙ্গে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং ও ওয়েব ডিজাইন বিষয়গুলো নতুন কারিকুলামে যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি স্নাতক (পাস) ও স্নাতক (সম্মান) প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাপ্লায়েড আইসিটি ও ফাংশনাল ইংরেজি কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই কোর্স দুটির সিলেবাস ও রেগুলেশন অনুমোদিত হয়েছে বলে জানানো হয়।
সভা থেকে আরও জানানো হয়, স্নাতক (সম্মান) কোর্সের ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা অকৃতকার্য হয়েছেন, তাঁদের বিশেষ বিবেচনায় আরও একবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। এ ছাড়া বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিন বছর মেয়াদি ডিগ্রি (পাস) কোর্স এবং এক বছর মেয়াদি মাস্টার্স (প্রিলিমিনারি) কোর্স সম্পন্নকারীদের সনদের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভা থেকে শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। সিজিপিএ ২-এর কম পাওয়া শিক্ষার্থীদের যাতে শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে না পড়েন, সে লক্ষ্যে তাঁদের বিশেষ বিবেচনায় মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনা করা হয়েছে। এ ছাড়া অধিভুক্ত কলেজগুলোতে চার বছর মেয়াদি এলএলবি (সম্মান) কোর্সের অধিভুক্তি রেগুলেশনও অনুমোদিত হয়েছে।
‘একজন শিক্ষার্থী যেন নিজের পড়াশোনা শেষ করে দক্ষতা নিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারেন—আমরা সেই জায়গাটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছি।’ — উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৩ (তম সভা), ৪ (ক্রেডিট), ২ (দশমিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!