📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাপ্লাইড আইসিটি কোর্সকে যুগোপযোগী করতে মানসম্মত রিসোর্স বুক ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির কর্মশালা শুরু করেছে। ভাইস-চ্যান্সেলর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন। ইউনিসেফের সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী কর্মশালা চলবে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাপ্লাইড আইসিটি কোর্সকে আরও কর্মমুখী ও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে মানসম্মত রিসোর্স ম্যাটেরিয়াল ও অনলাইন কনটেন্ট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ শুক্রবার সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড আইসিটি কোর্সকে যুগোপযোগী করতে রিসোর্স বুক ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির কর্মশালা শুরু
- 📌 ভাইস-চ্যান্সেলর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন
- 📌 ইউনিসেফ বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে
- 📌 কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
- 📌 রিসোর্স বুক ও অনলাইন কনটেন্টের চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করছেন
📰 বিস্তারিত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড আইসিটি কোর্সকে আরও যুগোপযোগী ও কর্মমুখী করতে মানসম্মত রিসোর্স ম্যাটেরিয়াল ও অনলাইন কনটেন্ট তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ শুক্রবার সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে তিন দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ইউনিসেফ বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় আয়োজিত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
ড. আমানুল্লাহ বলেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি শুধু একটি বিষয় নয়; এটি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, গবেষণা ও দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। শিক্ষার্থীদের এমন শিক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৈচিত্র্য ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে রিসোর্স ম্যাটেরিয়াল তৈরি করতে হবে। কনটেন্টের ভাষা সহজ, সাবলীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব হওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার সুযোগে বৈষম্য কমিয়ে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করাই অন্যতম লক্ষ্য।
ড. আমানুল্লাহ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটা ম্যানেজমেন্ট, সাইবার সিকিউরিটি ও ডিজিটাল কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। তাই অ্যাপ্লাইড আইসিটি কোর্সের রিসোর্স ম্যাটেরিয়ালে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
"শিক্ষার্থীরা যেন শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নয়, বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানেও প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে—সেভাবেই বিষয়বস্তু তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল মার্কেটিং ও গিগ ইকোনমির মতো বিষয় যুক্ত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতাকে কর্মসংস্থান, ফ্রিল্যান্সিং ও আয়মুখী কাজের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।"
কর্মশালার প্রথম দিনে রিসোর্স বুকের প্রতিটি অধ্যায় ও টপিকের বিষয়বস্তুর যথার্থতা, শিক্ষার্থীদের উপযোগিতা, প্যাডাগজিক্যাল পদ্ধতি, ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং অনলাইন কনটেন্টের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা বিষয়বস্তুকে আরও সহজবোধ্য, সমৃদ্ধ ও প্রায়োগিক করতে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনের সুপারিশ করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভার, ব্র্যাক সিডিএম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!