📌 নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ভিওইল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি ফলাফল বিপর্যয়কর বলে অভিযোগে অভিভাবক ও স্থানীয়রা মানববন্ধনে অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেছেন। শিক্ষকদের অবহেলা ও নিয়মিত ক্লাসের অনুপস্থিতির কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে
নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার ভিওইল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়কর বলে অভিযোগে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা আজ সোমবার অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করে মানববন্ধন করেছেন। শিক্ষকদের অবহেলা ও নিয়মিত ক্লাসের অনুপস্থিতির কারণে শিক্ষার পরিবেশে অবনতি ঘটেছে বলে অভিযোগ তুলে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১:০৫ সময়ে সাপাহার উপজেলার ভিওইল কলেজের প্রধান ফটকের সামনে শতাধিক অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা মানববন্ধনে অংশ নেন
- 📌 ৬৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও মাত্র ১৫ জন পাস করেছেন এইচএসসি পরীক্ষায়
- 📌 শিক্ষকদের অবহেলা ও নিয়মিত ক্লাসের অনুপস্থিতির কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 অভিভাবক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের বাইরে আড্ডা দেওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা কী শিখবে?
- 📌 অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, কিন্তু কর্মজীবী শিক্ষার্থীদের কারণে ফলাফল খারাপ হয়েছে বলে দাবি করেছেন
📰 বিস্তারিত
ভিওইল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে অভিভাবক ও স্থানীয়রা আজ সোমবার সকালে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন। এই কর্মসূচিতে শতাধিক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করে। বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ক্লাস চলছে না। শিক্ষকরা নির্ধারিত সময়ে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত না হয়ে বাইরে আড্ডা দিচ্ছেন। এই অবহেলার কারণে শিক্ষার পরিবেশে অবনতি ঘটেছে এবং ফলাফলেও তা প্রতিফলিত হয়েছে।
অভিভাবক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কষ্ট করে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালাই। কিন্তু কলেজে গিয়ে যদি তারা দেখে শিক্ষক নেই, শিক্ষকরা বাইরে আড্ডা দিচ্ছেন—তাহলে তারা কী শিখবে? এমন অবহেলার কারণেই এবার পরীক্ষার ফলাফল এত খারাপ হয়েছে।’ অন্য এক অভিভাবক দেলোয়ার হোসেন অধ্যক্ষের প্রশাসনিক দুর্বলতা ও অবহেলাকে প্রতিষ্ঠানের এই অবস্থার মূল কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন। তিনি অবিলম্বে নিয়মিত ক্লাস চালু এবং অনিয়মের দায় নিয়ে অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ ও ভোকেশনাল শাখা থেকে মোট ৬৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাঁদের মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১৫ জন। অধ্যক্ষ দাবি করেন, পরীক্ষার্থীদের অনেকেই কর্মজীবী হওয়ায় ফলাফলে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামীতে ফলাফল ভালো হবে।
"আমরা কষ্ট করে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালাই। কিন্তু কলেজে গিয়ে যদি তারা দেখে শিক্ষক নেই, শিক্ষকরা বাইরে আড্ডা দিচ্ছেন—তাহলে তারা কী শিখবে? এমন অবহেলার কারণেই এবার পরীক্ষার ফলাফল এত খারাপ হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভিওইল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাপাহার উপজেলা, নওগাঁ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, অভিভাবক ওবায়দুল ইসলাম ও দেলোয়ার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ জন পরীক্ষার্থী, ১৫ জন পাস, ১১:০৫ সময়ে মানববন্ধন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!