📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহে এইচএসসি পরীক্ষায় ১৯টি স্কুলে কোনো ছাত্র-ছাত্রী পাস করেননি, পাসের হার চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

ময়মনসিংহে এইচএসসি পরীক্ষায় ১৯টি স্কুলে কোনো ছাত্র-ছাত্রী পাস করেননি, পাসের হার চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় ১৯টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি। পাসের হার চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৫১.৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে। গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা ৫৪৭ কমেছে

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের ১০২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। গত বছরের তুলনায় শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে চারটি। এছাড়াও বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ময়মনসিংহ বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় ১৯টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি
  • 📌 পাসের হার চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৫১.৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে
  • 📌 গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা ৫৪৭ জন কমেছে
  • 📌 ৩১৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র পাঁচটিতে সব শিক্ষার্থী পাস করেছেন
  • 📌 ময়মনসিংহ জেলায় ৪৩ জন, নেত্রকোনায় ৩৩ জন, জামালপুরে ১৮ জন ও শেরপুরে ৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানে
  • 📌 ইংরেজিতে ৪০.৮৯ শতাংশ এবং হিসাববিজ্ঞানে ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় ৭৩ হাজার ৪২০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিলেন। এর মধ্যে ৭০ হাজার ৬৭৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন এবং ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন পাস করেছেন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ১৩৭ জন। গত বছরের তুলনায় পাসের হার ০.১০ শতাংশ কমে ৫১.৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, ময়মনসিংহ জেলায় ৪৩ জন, নেত্রকোনায় ৬টি প্রতিষ্ঠানের ৩৩ জন, জামালপুরে ৪টি প্রতিষ্ঠানের ১৮ জন এবং শেরপুরে ২টি প্রতিষ্ঠানের ৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এসব প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি।

বিষয়ভিত্তিক ফলাফলে ইংরেজিতে পাসের হার ৫৯.১১ শতাংশ এবং হিসাববিজ্ঞানে ৫৭.৯৬ শতাংশ। ইংরেজিতে ৪০.৮৯ শতাংশ এবং হিসাববিজ্ঞানে ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শাহাদাত উল্লাহ বলেছেন, ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং পাসের হার বাড়লে সামগ্রিক ফলাফল আরও ভালো হতে পারত।

ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের তুলনায় বেশি। ৩৭ হাজার ৬৩৬ জন ছাত্রীর মধ্যে ২০ হাজার ৭০৭ জন পাস করেছেন (পাসের হার ৫৫.০২ শতাংশ) এবং ১ হাজার ১১৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। অন্যদিকে ৩৩ হাজার ৩৭ জন ছাত্রের মধ্যে ১৫ হাজার ৬৪৭ জন পাস করেছেন (পাসের হার ৪৭.৩৬ শতাংশ) এবং ১ হাজার ১৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

"বিগত সরকারের সময় পড়াশোনা না করেও ভালো ফল করার যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক এনামুল হক (বোর্ড সচিব), অধ্যাপক মো. শাহাদাত উল্লাহ (পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯টি প্রতিষ্ঠান (শূন্য পাস), ১০২ জন শিক্ষার্থী (শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানে), ৫১.৪৪ শতাংশ (পাসের হার), ২ হাজার ১৩৭ জন (জিপিএ-৫)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖