📌 সিলেট শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ৫০.৯০%। মানবিক বিভাগে ৪৬.২৯% পাসের হারে ২৬ হাজার ৫১১ জন শিক্ষার্থী ফেল হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৮.৫৪% হলেও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪৭.৮১% পাসের হার নিম্ন
সিলেট: সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার নিয়ে বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে। বোর্ডের সামগ্রিক পাসের হার মাত্র ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশে নেমে এসেছে, যার অর্থ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বিশেষত মানবিক বিভাগে এই অবস্থার চিত্র সবচেয়ে শোচনীয় — যেখানে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী ফেল হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেট বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ৫০.৯০% — গতবছরের ৫১.৮৬% থেকে কমেছে
- 📌 মানবিক বিভাগে ৪৯ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২২ হাজার ৮৪৮ জন পাস (৪৬.২৯% পাসের হার)
- 📌 বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৮.৫৪% (৯ হাজার ৮৩৮ পাস), ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪৭.৮১% পাসের হার (৩ হাজার ৯১১ পাস)
- 📌 মোট পরীক্ষার্থী: ৭১ হাজার ৮৯৩ জন (গতবছর: ৬৯ হাজার ১৭২ জন), পাস: ৩৬ হাজার ৫৯৭ জন
- 📌 ছাত্রীদের পাসের হার (৫২.৩৮%) ছাত্রদের (৪৮.৭২%) থেকে বেশি, কিন্তু বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার (৭০.৬৪%) ছাত্রীদের (৬৭.৪০%) থেকে বেশি
📰 বিস্তারিত
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। ৪৯ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২২ হাজার ৮৪৮ জন পাস করেছেন, যা পাসের হার ৪৬.২৯ শতাংশ। বিজ্ঞান বিভাগে তুলনামূলক ভালো ফলাফল হলেও, ১৪ হাজার ৩৫৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ হাজার ৮৩৮ জন পাস করেছেন (৬৮.৫৪% পাসের হার)। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে অবস্থা আরও হতাশাজনক — ৮ হাজার ১৮১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৩ হাজার ৯১১ জন পাস করেছেন (৪৭.৮১% পাসের হার)।
সামগ্রিকভাবে, সিলেট বোর্ডে মোট ৭১ হাজার ৮৯৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৩৬ হাজার ৫৯৭ জন। পাসের হার ছাত্রীদের (৫২.৩৮%) তুলনায় ছাত্রদের (৪৮.৭২%) কম হলেও, বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার (৭০.৬৪%) ছাত্রীদের (৬৭.৪০%) থেকে বেশি। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন জানান, অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি থাকায় ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন, কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি খারাপ করেছেন এবং কোন অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করা হবে।
এই ফলাফলের কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বোর্ডের তথ্যমতে, গতবছর জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬০২ জন, কিন্তু এবারের সংখ্যা কমেছে। বোর্ডের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ফলাফলের অবনতির কারণ চিহ্নিত করে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
"পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় সামগ্রিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে। কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি খারাপ করেছেন এবং কোন অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট শিক্ষা বোর্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০.৯০% (পাসের হার), ৪৬.২৯% (মানবিক বিভাগের পাসের হার), ৭১ হাজার ৮৯৩ (মোট পরীক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!