📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শিক্ষার্থীদের মিডিয়া লিটারেসি দক্ষতা বৃদ্ধিতে কারিকুলাম সংস্কারে জোর দিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিডিয়া লিটারেসি দক্ষতা বৃদ্ধিতে কারিকুলাম সংস্কারে জোর দিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রাথমিক শিক্ষায় বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কারিকুলামে সায়েন্স টয় ও ম্যাথ ল্যাব যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের ডিজিটাল শিক্ষার যুগে মিডিয়া লিটারেসির গুরুত্বও সমানভাবে বিবেচনা করতে হবে

প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ। চলতি সপ্তাহে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক ও সৃজনশীল করে তুলতে কারিকুলামে ‘সায়েন্স টয়’ ও ‘ম্যাথ ল্যাব’ যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর মতে, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী মৌলিক বাংলা পড়ার মতো প্রাথমিক দক্ষতাও অর্জন করতে পারছে না। ফলে হাতে-কলমে শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রাথমিক শিক্ষায় বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কারিকুলামে ‘সায়েন্স টয়’ ও ‘ম্যাথ ল্যাব’ যুক্ত করার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের
  • 📌 চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মৌলিক বাংলা পড়ার দক্ষতার অভাব পরিলক্ষিত হওয়ার কথা জানান তিনি
  • 📌 ইউনেসকোর গবেষণায় দেখা গেছে, ডিজিটাল যুগে শিশুদের মিডিয়া লিটারেসি দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে
  • 📌 ইউনেসকো পরিচালিত পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ৭টি দেশের ৪২টি স্কুল অংশগ্রহণ করে

📰 বিস্তারিত

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করতে কারিকুলাম সংস্কারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের বাইরে ডিজিটাল মাধ্যম থেকে প্রচুর তথ্য সংগ্রহ করছে। তবে এই তথ্যগুলোর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই নির্ভরযোগ্যতার অভাব রয়েছে। ফলে শিশুদেরকে কেবল বই পড়া ও হাতে-কলমে শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে মিডিয়া লিটারেসির দক্ষতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেওয়া প্রয়োজন।

ইউনেসকোর তথ্যমতে, ডিজিটাল যুগে শিশুদের তথ্য যাচাই ও বিশ্লেষণের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ‘মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন লিটারেসি সিটিজেন্স: থিংক ক্রিটিক্যালি, ক্লিক ওয়াইজলি’ নামে একটি মডেল কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে। ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই কারিকুলাম ৭টি দেশের ৪২টি স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়। ইউনেসকোর সহকারী মহাপরিচালক তৌফিক জেলাসি মিডিয়া লিটারেসিকে একটি অপরিহার্য দক্ষতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এই দক্ষতাকে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সব দেশকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মিডিয়া লিটারেসিকে কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার দুটি উপায় রয়েছে। প্রথমত, দীর্ঘমেয়াদে এটি একটি স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে চালু করা। দ্বিতীয়ত, প্রাথমিকভাবে বিদ্যমান পাঠ্যবইয়ে বয়স-উপযোগী অধ্যায় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা। এর মাধ্যমে শিশুরা ধাপে ধাপে মিডিয়া পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠবে।

"শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক ও সৃজনশীল করে তুলতে কারিকুলামে ‘সায়েন্স টয়’ ও ‘ম্যাথ ল্যাব’ যুক্ত করা হবে। তবে শিশুদের তথ্য যাচাই ও বিশ্লেষণের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য মিডিয়া লিটারেসির গুরুত্বও অপরিসীম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
  • 🔢 ইউনেসকোর পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী দেশ: ৭টি
  • 🔢 ইউনেসকোর পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী স্কুল: ৪২টি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖