📌 মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে জাল সনদ, অনিয়ম, সহকর্মী মারধর ও সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগে নোটিশ জারি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে এমপিও স্থগিত, ইনডেক্স কর্তনসহ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর জাল সনদ, অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে দেশের ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে নোটিশ জারি করেছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নোটিশে এমপিও স্থগিত, ইনডেক্স কর্তনসহ প্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপের সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৯ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে** জাল সনদ, অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে নোটিশ জারি করা হয়েছে
- 📌 **কুমিল্লা**র চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক **মো. জাহাঙ্গীর হোসেন** সহকর্মী **খাইরুল ইসলামকে মারধর** করার অভিযোগে নোটিশ পেয়েছেন
- 📌 **মো. শাহ আলম** (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ) ও **মো. রুহুল আমীন** (দাউদকান্দির মাদ্রাসার অধ্যক্ষ) হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে নোটিশ পেয়েছেন
- 📌 **মো. জাকির হোসেন** (উপাধ্যক্ষ) ও **মাহবুবুর রহমান** (সহকারী অধ্যাপক) নিয়োগে বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের এমপিও স্থগিত করা হয়েছে
- 📌 **গাজীপুর ও ময়মনসিংহ**র ৩ শিক্ষকের **জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ** ব্যবহারে ইনডেক্স কর্তন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে
- 📌 **৩০ সেপ্টেম্বর** নোটিশ জারি করে অধিদপ্তর তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শিক্ষক **মো. জাহাঙ্গীর হোসেন** সহকর্মী **খাইরুল ইসলামকে মারধর** করার অভিযোগে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে তার শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনায় ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর **১৮.২ (ক)** অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ **মো. শাহ আলম**কেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনায় তার যোগসাজশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে অদক্ষতা ও অযোগ্যতার অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।
অধিদপ্তর নোটিশে উল্লেখ করেছে, **মো. জাকির হোসেন** (ভোলার দক্ষিণ চরআইচা রাব্বানিয়া আলিম মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ) এর নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তার নিয়োগে বিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা যাচাই করছে অধিদপ্তর। অন্যদিকে, **মাহবুবুর রহমান** (নীলফামারীর জলঢাকার গোলনা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক) এর নিয়োগ ১৯৯০ সাল থেকে এমপিওভুক্ত জনবল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এ কারণে তার এমপিও বাতিলের পাশাপাশি সরকারি অর্থে নেওয়া বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
**গাজীপুর ও ময়মনসিংহ**র তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের **জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ** ব্যবহার করে এমপিও নেওয়ার অভিযোগে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিবেদনে তাদের সনদ ভুয়া হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের ইনডেক্স কেন কর্তন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
"বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.২ (ক) অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, ভোলা, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. শাহ আলম, মো. রুহুল আমীন, মো. জাকির হোসেন, মাহবুবুর রহমান, মো. আফজাল হোসেন, লুৎফুন নাহার, শামিমা নাছরিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৮.২ (ক), ১৬তম, ১৩তম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!