📌 ময়মনসিংহ জেলায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ শিক্ষক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু করেছেন। তারা নিয়োগপত্র না পাওয়ায় কাফনের কাপড় নিয়ে মরবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ২৫৯ জনের মধ্যে ২১৯ জন নিয়োগ পেয়েছেন, বাকি ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রয়েছে
ময়মনসিংহ জেলায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ শিক্ষক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র না পাওয়ায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু করেছেন। তারা নিয়োগপত্র না পাওয়ায় কাফনের কাপড় নিয়ে মরবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন এবং নিয়োগপত্র ছাড়া কার্যালয় থেকে ফিরবেন না। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় তারা অনশন কর্মসূচি শুরু করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহে ২২ শিক্ষক অনশন শুরু করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে
- 📌 ২৫৯ জন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকের মধ্যে ২১৯ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন, বাকি ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত
- 📌 অনশনকারীরা বলেছেন: ‘কাফনের কাপড় নিয়ে এসেছি, না খেয়ে মরব, তবু নিয়োগপত্র ছাড়া ফিরব না’
- 📌 জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন: গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত
- 📌 ১৮ জন প্রার্থী কোনো কাগজপত্র জমা দেননি, বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জন নিয়োগ পেয়েছেন
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু করা ২২ জন শিক্ষক চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র পাননি। তারা দাবি করছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মোট ২৫৯ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও প্রথম ধাপে ২১৯ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। পরে আরও দুজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও ২২ জনের নিয়োগপত্র এখনো হাতে পাননি। অনশনকারীরা জানান, তাদের নিয়োগপত্র কেন দেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে তাদের কোনো স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।
মোশাররফ হোসেন, একজন চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বলেন, ‘ময়মনসিংহ জেলায় আমরা ২৫৯ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলাম। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২১৯ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। পরে আরও দুজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হলেও আমরা ২২ জন এখনো বাদ পড়েছি। কেন বাদ পড়েছি, সেটাও আমাদের জানানো হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকের মধ্যেই আমরা নিয়োগপত্র চাই। নিয়োগপত্র ছাড়া আমরা কার্যালয় থেকে বের হব না। নিয়োগপত্র না দেওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন চালিয়ে যাব। আমরা কাফনের কাপড় নিয়ে এসেছি। না খেয়ে মরব, তবু নিয়োগপত্র ছাড়া এখান থেকে ফিরব না।’
অন্যদিকে, অনশনকারী হাসি আক্তার বলেন, ‘২১৯ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। আমরা ২২ জন এখনো নিয়োগপত্র পাইনি। আমাদের নিয়োগপত্র কেন দেওয়া হচ্ছে না, সেটাও জানানো হয়নি। আমরা অন্যদের মতো বিদ্যালয়ে যোগ দিতে চাই। নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এখান থেকে বাড়ি ফিরব না।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, ময়মনসিংহ জেলায় মোট ২৫৯ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১৮ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছে। আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিষয়।’
"আমরা অনশনকারীদের বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি। আমাদের যে ক্ষমতা ও সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তার বাইরে গিয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। বিষয়টি জাতীয় পর্যায়েও অবগত রয়েছে। সচিব, মহাপরিচালক ও মন্ত্রী মহোদয়ও বিষয়টি জানেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোশাররফ হোসেন, হাসি আক্তার, শফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ জন (অনশনকারী), ২৫৯ জন (সুপারিশপ্রাপ্ত), ২১৯ জন (নিয়োগপ্রাপ্ত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!