📌 শিক্ষাসামগ্রীর দামে বেড়ে যাওয়ায় মধ্য ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর পড়াশোনার খরচে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সরকারি সহায়তা ও দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি জানাচ্ছেন
শিক্ষাসামগ্রীর দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পড়ায় মধ্য ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর পড়াশোনার খরচে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি, টাকার দরপতন এবং পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় খাতা, কলম, ক্যালকুলেটরসহ বিভিন্ন সামগ্রীর দাম বেড়েছে। ফলে অভিভাবকদের জন্য মাসিক বাজেটে সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জিওমেট্রি বক্সের দাম** ১২০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, ক্যালকুলেটরের দাম ২০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে
- 📌 **খাতার দাম** ২৮০ টাকার থেকে বেড়ে ৫৫০-৬২০ টাকা হয়েছে, ২৪ পৃষ্ঠার কাগজের দাম ১৫ থেকে ৩৫ টাকা
- 📌 **সংকোচন মূল্যস্ফীতি** (shrinkflation) কারণে একই দামে আগের তুলনায় কম পরিমাণ পণ্য পাওয়া যাচ্ছে
- 📌 **রত্না আকতার** (মিরপুরের বাসিন্দা) বলেছেন, সন্তানদের পড়াশোনার খরচে সংসারের অন্য খরচ কমাতে হচ্ছে
- 📌 **বিশেষজ্ঞরা** দাবি করছেন, সরকারি সহায়তা লক্ষ্যবদ্ধভাবে দেওয়া এবং দাম নিয়ন্ত্রণ করা দরকার
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা রত্না আকতারের দু’সন্তানের অভিভাবক হিসেবে তিনি বলেছেন, আগের তুলনায় পড়াশোনার খরচ অনেক বেড়েছে। স্কুলের বেতন, ব্যাগ, পোশাকসহ শিক্ষাসামগ্রীর বাড়তি ব্যয়ে সংসারের অন্যান্য খরচ কমাতে হচ্ছে। তিনি জানান, সীমিত আয়ের পরিবারে সবকিছু সমন্বয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
শিক্ষাসামগ্রীর দামে বেড়ে যাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, শিক্ষাসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারি সংস্থাগুলোর শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা প্রয়োজন। তিনি আশঙ্কা করেন, শিক্ষার ব্যয় বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিশুদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।
বাজারে দেখা যায়, খাতা, কলম, শার্পনার, ইরেজারসহ নানা শিক্ষাসামগ্রীর দাম গত পাঁচ বছরে বেড়েছে। কিছু পণ্যের দাম সরাসরি বাড়েনি, কিন্তু আকার বা পরিমাণ কমেছে। যেমন, ১০ টাকার রাবার এখন আগের তুলনায় ছোট আকারে পাওয়া যায়। এছাড়া, ৫০ টাকার প্র্যাকটিক্যাল খাতা এখন ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
"দেশে শিক্ষাসামগ্রীর দামের ওপর কার্যকর সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ নেই। শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করলেই এ সংকটের সমাধান হবে না। শিক্ষাসামগ্রীর বাজার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত মনিটরিং ব্যবস্থা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রত্না আকতার, রাশেদা কে. চৌধুরী, মো. রফিক মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০-৩০০ টাকা (জিওমেট্রি বক্স), ২০০-২০০০ টাকা (ক্যালকুলেটর), ৫৫০-৬২০ টাকা (খাতা), ১৫-৩৫ টাকা (২৪ পৃষ্ঠার কাগজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!