📌 গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষ মেহেরুন্নেছার বিরুদ্ধে জরিমানা দাবি নিয়ে শিক্ষার্থীরা দিনভর অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ রেখে রাতের বিক্ষোভে নেমেছেন। পুলিশ অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়, কিন্তু ছাত্রীরা সড়কে অবস্থান করছেন।
রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মেহেরুন্নেছার বিরুদ্ধে জরিমানা দাবি নিয়ে শিক্ষার্থীরা দিনভর অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ রেখে মধ্যরাতে সড়কে বিক্ষোভে নেমেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে অধ্যক্ষকে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ এসে অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এরপর শতাধিক ছাত্রী কলেজের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রেখে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।
- 📌 রাত ১১টা ৩০ মিনিট পুলিশ অধ্যক্ষকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়, কিন্তু ছাত্রীরা সড়কে অবস্থান করে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন।
- 📌 ১২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা দাবি করে অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের আসন বাতিল করেন।
- 📌 অনুষ্ঠান শেষ হয় ভোর ৫টা বেজে, কিন্তু অধ্যক্ষ নির্ধারিত সময় মেনে না নেন।
- 📌 অধ্যক্ষ মেহেরুন্নেছা বলেন, শিক্ষার্থীরা অনুমতির পরেও নির্ধারিত সময়ের পরও অনুষ্ঠান চালিয়ে যান।
📰 বিস্তারিত
গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মেহেরুন্নেছার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীরা পদত্যাগ দাবি করছেন। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, পূজার ছুটির আগে অনুষ্ঠিত একটি বিদায় অনুষ্ঠানের সময় অধ্যক্ষ তাদের দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিল করেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল রাত ১২টা, কিন্তু অনুষ্ঠান শেষ হয় ভোর ৫টা বেজে। অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের আসন বাতিল করার পর, তাদের ক্ষমা চাইতে গেলে শর্ত হিসেবে ১২ হাজার টাকা জরিমানা দাবি করা হয়।
স্নাতকোত্তরের প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী তাবাসসুম সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুই শিক্ষার্থীর আসন অযৌক্তিকভাবে বাতিল করার কারণে এই আন্দোলন। আমরা অধ্যক্ষের কাছে হাত-পা জোর করে ক্ষমা চাইলে তিনি বলেন, আমরা স্যরি অ্যাকসেপ্ট করেছেন এবং শাস্তির আওতায় আসতে হবে। আমাদের স্টুডেন্টদের পক্ষে এই টাকা দেওয়া সম্ভব নয়।’
অধ্যক্ষ মেহেরুন্নেছা সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যা বলছে, তা ঘটনার বিপরীত। আমি তাদের অনুষ্ঠান করার অনুমতি দিয়েছিলাম রাত ১২টা পর্যন্ত। তারা ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান করেছে। অনুষ্ঠান করার প্রেক্ষিতে আমি তাদের দুইজনকে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য শাস্তির আওতায় আনা দরকার ছিল। তারা লংটাইম বিদ্যুৎ অপচয় করছে, এই বিলটা তাদের কাছ থেকে নিতে হবে। এই জরিমানার নোটিশ আমি দিয়েছি, এটাই আমার অপরাধ নয়।’
অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘তারা আমাকে পদত্যাগের স্বাক্ষর করতে বলছে। আমি কেন তাদের কাছে পদত্যাগ করব?’
"আমরা ম্যাডামের কাছে হাত-পা জোর করে ক্ষমা চাইলে ম্যাডাম বলেন, আমাদের স্যরি অ্যাকসেপ্ট করেছেন এবং শাস্তিস্বরূপ এক রাতের অডিটোরিয়ামের বিল বাবদ ১২ হাজার টাকা দিতে হবে। আমাদের স্টুডেন্টদের পক্ষে এই টাকা দেওয়া সম্ভব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স, রাজধানী
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যক্ষ অধ্যাপক মেহেরুন্নেছা, শিক্ষার্থী তাবাসসুম, পুলিশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ হাজার টাকা (জরিমানা), ৬০০ টাকা (বিল), ১০:৩০ (সকাল), ১১:৩০ (রাত), ৫:০০ (ভোর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!