📌 জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের গণিত বিভাগে শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ বিভাগীয় প্রধান নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, বিষয়টি তার অজানা ছিল এবং তিনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন
জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের গণিত বিভাগে শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ বিভাগীয় প্রধান নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় বছর খানেক আগে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা প্রায় ৯০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মিনি ফ্রিজ কলেজকে উপহার হিসেবে প্রদান করেন। ফ্রিজটি গণিত বিভাগের অফিস কক্ষে রাখা ছিল এবং বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকরাও তা ব্যবহার করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের গণিত বিভাগে শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ বিভাগীয় প্রধান নিজ বাসায় নিয়ে যান
- 📌 ফ্রিজটির ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৯০ লিটার এবং এটি মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের উপহার ছিল
- 📌 বিভাগীয় প্রধান মো. আব্বাছ আলীর বাসার ফ্রিজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি কলেজের ফ্রিজটি নিজ বাসায় নিয়ে যান
- 📌 কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন
- 📌 অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শওকত আলম মীর জানান, বিষয়টি তার অজানা ছিল এবং তিনি পদক্ষেপ নেবেন
📰 বিস্তারিত
জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের গণিত বিভাগে শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া ফ্রিজ বিভাগীয় প্রধান নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় বছর খানেক আগে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা প্রায় ৯০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মিনি ফ্রিজ কলেজকে উপহার হিসেবে প্রদান করেন। ফ্রিজটি গণিত বিভাগের অফিস কক্ষে রাখা ছিল এবং বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকরাও তা ব্যবহার করতেন।
গত ২৪ আগস্ট রোববার দুপুরে সরজমিনে কলেজে গিয়ে দেখা যায়, বিভাগীয় প্রধানের অফিস কক্ষ থেকে ফ্রিজটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে এখন চেয়ার রাখা রয়েছে এবং বৈদ্যুতিক সুইচটি ফাঁকা পড়ে রয়েছে। একজন বিভাগীয় প্রধানের এমন কর্মকাণ্ডে কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, তারা কলেজ থেকে চলে যাওয়ার সময় নিজেদের টাকায় ফ্রিজটি উপহার হিসেবে কিনেছিলেন। এটি তাদের স্মৃতি বহন করবে বলে তারা বিশ্বাস করতেন। কিন্তু ফ্রিজটি বিভাগীয় প্রধান নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়ায় তাদের সেই স্মৃতি ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি বলেন, এমন কর্মকাণ্ডকে লুটপাট হিসেবে অভিহিত করেন।
কলেজের এক শিক্ষক জানান, সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এক নয়। তবে কলেজের সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা ঠিক নয়। তিনি সবাইকে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
"আমাদের পরে যারা আসবে তারা যেন আমাদের কথা বলে। কিন্তু আমাদের দেওয়া উপহারটি যদি স্যাররা তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। তবে আমাদের স্মৃতিটা কোথায় থাকবে। এটা এক ধরনের লুটপাট।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্বাছ আলী (গণিত বিভাগীয় প্রধান), প্রফেসর মো. শওকত আলম মীর (অধ্যক্ষ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ লিটার (ফ্রিজের ধারণ ক্ষমতা), ২৪ আগস্ট ২০২৬ (ঘটনার দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!